বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুদ্ধের সূত্রপাত যেভাবে

আজীবন ক্ষমতায় থাকার মনোবাসনা নিয়ে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল্লাহ সালেহ সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেন। প্রতিবাদে জনতা আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলনকারীদের দমাতে ওই বছরের মার্চে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়। সরকারের দমন-পীড়নে শত শত মানুষ প্রাণ হারায়। তুমুল বিক্ষোভের মুখে একসময় পদত্যাগ করতে বাধ্য হন সালেহ।

ডেপুটি প্রেসিডেন্ট মানসুর হাদির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন তিনি। তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জিহাদিদের হামলা, বেকারত্ব, দুর্নীতি, খাদ্য অনিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন হাদি। নতুন প্রেসিডেন্টের এমন দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে আন্দোলন এগিয়ে নেয় ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। অনেক সাধারণ ইয়েমেনি নাগরিকও তাদের সমর্থন দেয়।

default-image

২০১৪ সালের শুরুর দিকে উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ সাদার দখলে নেয় হুতিরা। এরপর দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হতে থাকে তারা। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে রাজধানী সানা আক্রমণ করে মানসুর হাদির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে হুতি বিদ্রোহীরা। হাদি বিদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। পরে ২০১৫ সালের মার্চে হাদি সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। হুতিদের পরাজিত করে ইয়েমেন থেকে ইরানের প্রভাব মুছে দিতে জোটটি বিমান হামলা চালাতে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের পক্ষ থেকেও সৌদি জোটকে সহযোগিতা করা হয়।

যুদ্ধের শুরুর দিকে সৌদি কর্মকর্তারা আভাস দিয়েছিলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধের অবসান হবে। তবে অভিযানের প্রায় সাত বছর হতে চললেও ইয়েমেন থেকে সরে আসেনি সৌদি জোট। বরং এ যুদ্ধকে ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যকার আঞ্চলিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। বর্তমানে রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের বেশির ভাগ এলাকা হুতিদের দখলে। অপরদিকে উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা মারিবের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আছে সৌদি সমর্থিত মানসুর হাদির অনুগতরা।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা প্রজেক্টের (এসিএলইডি) হিসাব অনুযায়ী, ২০২১ সালের নভেম্বরের শুরু নাগাদ ইয়েমেনে ১ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আরেক সংস্থা ইয়েমেন ডেটা প্রজেক্ট বলছে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় ৮ হাজার ৭৮০ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইয়েমেনে লড়াইরত দুই পক্ষই যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করে থাকতে পারে।

default-image

যুদ্ধের দামামায় অনিশ্চিত জীবন
ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের অভিযান শুরুর পর গত প্রায় সাত বছরে দেশটির মৌলিক সেবাব্যবস্থা শোচনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ইয়েমেনের দুই–তৃতীয়াংশ জেলার মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে। বিভিন্ন এলাকায় সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।

default-image

সৌদি আরব সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের সবশেষ শক্ত ঘাঁটি উত্তরাঞ্চলের শহর মারিব। সাত বছর আগে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে মারিব প্রদেশে ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। তবে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন শহরে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে এসব শহরের লাখো মানুষ অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীল এলাকাগুলোতে পালাতে শুরু করে। অনেকে মারিবে আশ্রয় নেয়। এর পূর্বাঞ্চলীয় মরুভূমিতে অনেকগুলো অস্থায়ী তাঁবুতে গড়ে উঠেছে আল সুমিয়া আশ্রয়শিবিরটি। অনেক বাস্তুচ্যুত মানুষের বসবাস সেখানে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র (আইওএম) অ্যাঞ্জেলা ওয়েলস গত নভেম্বরে জানান, শুধু ওই মাসেই প্রায় ৬০টি পরিবার নতুন করে আল সুমিয়া শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।

ইয়েমেন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, মারিব প্রদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য প্রায় ১৩৯টি আশ্রয়শিবির স্থাপন করা হয়েছে। এসব শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ২২ লাখ মানুষ। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র অ্যাঞ্জেলা ওয়েলস বলেন, সংস্থার পক্ষ থেকে আশ্রয়শিবিরে সেবা দেওয়া হচ্ছে। এসব সেবার মধ্যে রয়েছে জরুরি ত্রাণ সরবরাহ, ট্রাকে করে পানি সরবরাহ, শৌচাগার ও পানির ট্যাংক তৈরি। তবে ইয়েমেনের বিভিন্ন শহরের অসহায় মানুষ মারিব শহরকে নিরাপদ ভেবে আশ্রয় নিলেও সেখানেও এখন বাজছে যুদ্ধের দামামা। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মারিবে তীব্র লড়াই শুরু হওয়ার পর দুই মাসে ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
শীতে কাবু অসহায় মানুষ

ইয়েমেনে যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে বাঁচতে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন ইয়েহিয়া হায়বা এবং তাঁর পরিবার। এক স্থান থেকে আরেক স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন তাঁরা। একসময় পরিবারটির আশ্রয় হয় ধু-ধু মরুভূমির বুকে স্থাপিত তাঁবুতে। সেখানে নেই কোনো স্কুল, হাসপাতাল কিংবা অন্য কোনো সেবাব্যবস্থা। মারিবের কাছাকাছি একটি এলাকায় বাড়ি ছিল হায়বার। ওই এলাকায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর স্ত্রী ও সাত সন্তানকে নিয়ে তিনি আশ্রয় নেন আল সুমিয়া শিবিরে।

default-image

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, সাত বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলার মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছে হায়বার পরিবারকে। অস্থায়ী একটি তাঁবুতে আরও ছয়টি পরিবারের সঙ্গে গাদাগাদি করে জীবন কাটে তাদের। তাঁবুতে প্রায় ৩৫ জন মানুষের জন্য বরাদ্দ মাত্র দুটি খড়ের বিছানা। এর মধ্যেই জেঁকে বসেছে শীত। শীতের রাতে নিজেদের উষ্ণ রাখতে দুটো কম্বলই এখন হায়বার পরিবারের সম্বল।

হায়বা বলেন, ‘আমাদের এখানে অনেক সমস্যার মধ্য দিয়ে দিন পার করতে হয়। নিজেদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য একটি পর্দাও ব্যবহারের সুযোগ নেই। এমনকি একটি যথাযথ শৌচাগার স্থাপনেরও সক্ষমতা আমাদের নেই। তিন-চার বাচ্চা মিলে একটি কম্বল ভাগাভাগি করে।’

আল সুমিয়া আশ্রয়শিবিরের আরেক বাসিন্দা আলী আবদুল্লাহ। এএফপিকে তিনি বলেন, ‘দু-তিনবার আমাদের বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছে। কারও কাছ থেকে কম্বল কিংবা ম্যাট্রেস পাইনি। ঠান্ডায় মারা যেতে বসেছি।’

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র অ্যাঞ্জেলা বলেন, শীতের আবহের সঙ্গে সঙ্গেই আশ্রয়শিবিরে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। অনেকের কাপড় নেই, কম্বল নেই। কারও কারও নিজেদের নিরাপদ ও উষ্ণ রাখার মতো ন্যূনতম প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোও নেই। বিশেষ করে যাঁরা অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরগুলোতে আছেন, তাঁদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: খাবার থাকলেও কেনার সামর্থ্য নেই

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ইয়েমেনের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ তথা ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে ১ কোটি ৪৩ লাখ মানুষ তীব্র সংকটে রয়েছে। নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল (এনআরসি) ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে জরিপ চালিয়ে দেখতে পায়, প্রতি দুটি পরিবারের মধ্যে প্রায় একটি পরিবার তাদের প্রতিদিনের খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। কারণ, ইয়েমেনে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে। আর তাতে আগে থেকে দুর্দশার মধ্যে থাকা মানুষের সংকট আরও বেড়েছে। এমন অবস্থায় প্রতি বেলার জন্য খাবার কেনার সামর্থ্য নেই তাদের। জরিপে যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের ৯৯ শতাংশই বলেছেন, খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন আর মাংস, ফল, দুধ কিংবা চাল কেনার সামর্থ্য নেই।

জরিপে অংশগ্রহণকারীরা এনআরসিকে আরও বলেছেন, ২০২১ সালে পরিবহন খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ রান্নার জন্য গ্যাস কেনা বন্ধ করে দিয়েছে। কাঠের জ্বালানি ব্যবহার করে রান্নার কাজ সারছেন তাঁরা। ময়দার দামও ক্রমাগত বেড়ে যাচ্ছে।

ছয় বছর আগে ১ মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইয়েমেনে মুদ্রার মান ছিল ২১৫ ইয়েমেনি রিয়াল। মুদ্রাস্ফীতির কারণে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের শুরুর দিকে প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইয়েমেনের মুদ্রার মান দাঁড়ায় ১ হাজার ৭০০ রিয়াল।

রিদা সালেহ নামে একজন এনআরসিকে বলেন, ‘৭-৮ হাজার রিয়াল খরচ করে ৫০ কেজি ময়দা কেনা যেত। আর এখন তা কিনতে ৩৫ হাজার রিয়ালের প্রয়োজন হয়।’
শিশুদের ওপর প্রভাব

default-image

বলা হয়ে থাকে, একটি দেশের ভবিষ্যৎ হলো শিশুরা। তারা যদি মৌলিক প্রয়োজন থেকে বঞ্চিত হয়, তবে দেশের কোনো ভবিষ্যৎই থাকবে না। আর তাই শিশুদের জন্য খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করাটা জরুরি। ইয়েমেন যুদ্ধে সব সময়ই ভুক্তভোগী হচ্ছে শিশুরা। গত নভেম্বরে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইয়েমেনে মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৭ হাজারে দাঁড়াতে পারে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। বিমান হামলা ও সংঘাতের মতো প্রত্যক্ষ কারণ কিংবা সংক্রামক রোগ, ক্ষুধা ও দুর্ভিক্ষের মতো পরোক্ষ কারণে এসব মৃত্যু হতে পারে। ২ ডিসেম্বর ইউনিসেফ অস্ট্রেলিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় সাত বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে মানবেতর পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইয়েমেনের শিশুরা। সংঘাত শুরুর পর থেকে প্রতি মাসেই ইয়েমেনের শিশুরা হয় মারা যাচ্ছে, নয়তো আহত হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত নিহত কিংবা পঙ্গু হওয়া শিশুর সংখ্যা ১০ হাজার। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে চারজন শিশু মারা যাচ্ছে অথবা পঙ্গুত্ব বরণ করছে। ক্রমাগত সংঘাত, দারিদ্র্য ও স্থানচ্যুতির কারণে শিশুদের জীবনযাত্রার ওপর অকল্পনীয় প্রভাব পড়ছে। বর্তমানে প্রতি পাঁচজন শিশুর চারজনের জন্য মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। অর্থাৎ ইয়েমেনে মানবিক সহায়তার সংকটে আছে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি শিশু।

প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, ইয়েমেনে বর্তমানে ২৩ লাখ শিশু প্রচণ্ড অপুষ্টিতে ভুগছে। এর মধ্যে চার লাখ শিশুর জন্য জরুরি ভিত্তিতে জীবন সুরক্ষামূলক সহায়তা প্রয়োজন।

ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এলডার বলেন, ‘মূলকথা হলো ইয়েমেনে খাদ্যসংকটের কারণে যে দেশটির শিশুদের অনাহারে থাকতে হচ্ছে তা নয়। পরিবারের খাবার কেনার সামর্থ্য না থাকার কারণে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের।’

করোনার প্রকোপ

সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট রিলিফ ওয়েবের প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতের কারণে ইয়েমেনের স্বাস্থ্যসেবাব্যবস্থায় প্রভাব পড়েছে। অনেক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র কর্মীসংকটে রয়েছে। পর্যাপ্ত ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামও নেই তাদের। সংঘাতে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিতেই হিমশিম খাচ্ছে তারা। এর মধ্যেই যুদ্ধ-সংঘাতে বিধ্বস্ত ইয়েমেনে নতুন সংকট তৈরি করেছে করোনা মহামারি। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও মানুষের আয়ের ওপর এর প্রভাব পড়েছে। স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানিবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের ওপর করোনা মহামারি শোচনীয় পর্যায়ের প্রভাব ফেলেছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছরের ১২ ডিসেম্বর নাগাদ দেশটিতে ১০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। তবে আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, যুদ্ধকবলিত দেশটিতে পরীক্ষা ও তথ্য পাওয়ার সুযোগ কম থাকায় বাস্তব চিত্র তুলে ধরা কঠিন। দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী এবং ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে টিকা দিতে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সহযোগিতা করছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা।

বিবিসি, আল–জাজিরা ও জাতিসংঘের ওয়েবসাইটের তথ্য অবলম্বনে প্রতিবেদনটি তৈরী করেছেন ফাহমিদা আক্তার

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন