ওয়ানের সঙ্গে ওই নারীর বন্ধুত্ব খুব অল্প দিনের নয়। তাঁরা একে অপরকে পাঁচ বছর ধরে চেনেন। ওয়ানের ওই বন্ধু ও তাঁর স্বামী হেনান প্রদেশের সাংকিউয়ের বাসিন্দা। তবে ওই বন্ধুর পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি। ওয়ান শুধু জানিয়েছেন, এই দুজন ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষ।

যাহোক, খুদে বার্তায় এসব প্রশ্নের জবাব না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন ওই নারী। কারণ, ওয়ান হৃদ্‌যন্ত্রের জটিলতায় ভুগছিলেন। আবার বার্তা পাঠানোর চার ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও ওয়ানের সাড়া পাওয়া যায়নি। এরপর ওই নারী তাঁর স্বামীকে বলেন, ওয়ান যেখানে থাকেন, তাঁর আশপাশে ড্রোন ওড়ানো হোক। এই ড্রোন ব্যবহৃত ক্যামেরায় দেখা হোক, ওয়ান কেমন আছেন। যেই কথা সেই কাজ। পরে ড্রোন ব্যবহার করে ওয়ানের খোঁজ নেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে ওয়ান বলেন, ‘আমাদের দুজনের বাসা খুব বেশি দূরে নয়। ফলে তাঁদের ড্রোন আমার জানালায় আসতে বেশি সময়ও লাগেনি। তাঁদের এই উদ্যোগ আমাকে আন্দোলিত করেছে।’

ওয়ান বলেন, ‘তাঁরা আমাকে বেশ সাহায্য করেন। মাঝেমধ্যেই তাঁরা খুব মজার খাবার রান্না করেন এবং আমাকে খাওয়ান।’

ওয়ানের খোঁজখবর নেওয়ার ঘটনা চীনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছে তাঁদের এমন পদক্ষেপ।