২০০০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জিনো উলফের জন্ম। ২০০২ সালে কলোরাডোর হিউমেইন সোসাইটি অব বোল্ডার ভ্যালি থেকে কুকুরছানাটি নেন অ্যালেক্স। কুকুরছানাটি বাড়িতে এনে তিনি নাম দেন জিনো উলফ। গত মঙ্গলবার কুকুরটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী কুকুরের স্বীকৃতি পেয়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের হিসাবে, কুকুরটির বয়স ২২ বছর ৫৯ দিন। অ্যালেক্সের মতে, স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার, সুচিকিৎসায় দীর্ঘ জীবন পেয়েছে জিনো।

অ্যালেক্স উলফ বলেন, ‘বিগত তিন বছর আমি তার (জিনো উলফ) অনেক যত্ন নিয়েছি। বয়সের তুলনায় এখনো সে যথেষ্ট সবল আর দেখতেও সুন্দর। বয়সের সঙ্গে তুলনা করলে এটা সত্যি অবাক করার মতো বিষয়। এর সব কৃতিত্ব তার। সে অনেক শক্ত–সমর্থ। অফুরান ভালোবাসা পেয়েছে সে।’

অ্যালেক্স উলফ আরও বলেন, ‘জিনোর বয়স তখন কম। ম্যানহাটান সৈকতে সে আমাদের অন্য কুকুরগুলোর সঙ্গে আমার মা–বাবার বাড়ির উঠান চষে বেড়াত। সমুদ্রতীরে হেঁটে বেড়াত। অন্য কুকুরগুলোকে নিয়ে উপকূলবর্তী শহরতলি ভেনিসে যেত। গাড়ির জানালার বাইরে মাথা রেখে গান শোনা আর সমুদ্রতীর ধরে দৌড়াতে পছন্দ করে জিনো। আমাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সে জড়িয়ে আছে। আমরা যে তাকে পেয়েছি, তাতে আমি অনেক খুশি। জিনো উলফ অন্যদের চেয়ে সেরা।’

টুডে ডটকম নামে একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিনো এখন আগুনের পাশে শুয়ে ঘুমাতে পছন্দ করে। বিশেষ একটি গাড়িতে করে বাড়ির আশপাশ ঘুরে বেড়ায়। তবে চোখে আগের মতো আর দেখতে পায় না। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি উদ্‌যাপনে জিনোকে গাড়িতে দীর্ঘ পথ ঘুরিয়েছেন অ্যালেক্স উলফ।