কীভাবে আংটিটি তৈরি করা হয়েছে, তার একটি বর্ণনা দেওয়া হয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে। বলা হয়েছে, প্রথমে প্লাস্টিকের ছাঁচ ব্যবহার করে মাশরুমের ৪১টি পাপড়িসহ আংটিটির একটি প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছিল। থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে সেটি নিখুঁতভাবে আবার তৈরি করা হয়। এরপর ছাঁচের মধ্যে ঢোকানো হয় তরল সোনা। মাশরুম আকৃতির সোনার পাতগুলো তৈরি হলে, সেগুলোর দুই পাশে বসানো হয় হীরার টুকরা। এরপর সেগুলো যুক্ত করে আকার দেওয়া হয় আংটির।

গত ৫ মে হীরার আংটিটিকে তালিকাভুক্ত করেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। এসডব্লিউএ ডায়মন্ডসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আংটিটির ওজন ৩৪০ গ্রাম। দামও তাক লাগানোর মতোই। কেউ আংটিটি নিজের করতে চাইলে, খরচ করতে হবে ৯৫ হাজার ২৫৩ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৯ লাখ ৫১ হাজার টাকার বেশি।

এদিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাতে পেরে বেশ খুশি এসডব্লিউএ ডায়মন্ডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল গফুর আনাদিয়ান। তিনি বলেন, ‘যেভাবে আপনি চান, ঠিক সেভাবে আপনার স্বপ্ন সত্যি হওয়ার চেয়ে আনন্দের কিছু হতে পারে না। নতুন একটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস জিতেছি, তা জানার পর আমাদের দল এখন খুবই খুশি।’

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন