বিজ্ঞাপন

কেরিন এমবালা নামে শহরের এক বাসিন্দা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, বাতাসে সালফারের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সামান্য দূরেই পাহাড় থেকে আসা আগুনের শিখা দেখা যায়।

রোববার কঙ্গোর যোগাযোগ মন্ত্রী প্যাটট্রিক মুইয়াইয়া এক টুইট বার্তায় বলেন, গোমা শহরকে খালি করার ঘোষণা কার্যকর করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে।

কঙ্গোর উত্তর কিভু প্রদেশের সামরিক গভর্নর থেকে বলা হয়, স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগ্নেয়গিরিটি বিস্ফোরিত হয়। কর্তৃপক্ষ কিভু প্রদেশের রাজধানী গোমার বাসিন্দাদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, কঙ্গোতে নিযুক্ত জাতিসংঘ মিশনের হেলিকপ্টার ওই এলাকায় পাঠিয়ে বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জাতিসংঘ মিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, আগ্নেয়গিরির লাভা রুয়ান্ডার দিকে যাচ্ছে।

গোমা শহরের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করেছে কর্তৃপক্ষ। গোমার এক বাসিন্দা এএফপিকে জানায়, শহরের পুরো আকাশ লাল হয়ে গেছে। বাতাসে সালফারের গন্ধ। বিস্ফোরণ ঘটলেও ভূমিকম্প হয়নি।

কিভু প্রদেশের নাগরিক নিরাপত্তাবিষয়ক সমন্বয়কারী জোসেফ মাকুন্দি স্থানীয় রেডিওকে বলেন, আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণে কী করতে হবে এখানকার বাসিন্দারা সব জানেন। মায়েরা তাদের সন্তানদের একত্রিত করবেন। বাড়ি ছাড়ার সময় সঙ্গে করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, পরিচয়পত্র এবং যাত্রাপথের জন্য কিছু খাবার নিয়ে নেবেন।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন