বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার সুদানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে রাষ্ট্রদূতদের বরখাস্তের ওই ঘোষণা দেন দেশটির সেনাশাসক। বরখাস্ত হওয়া এসব রাষ্ট্রদূতেরা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), চীন, কাতার, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় নিযুক্ত ছিলেন।

তিন দশক ধরে ক্ষমতায় থাকার পর ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সুদানের সেনাবাহিনী। এরপর ক্ষমতা ভাগাভাগি করে দেশটি শাসন করছিল সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক সরকার। গত সেপ্টেম্বরে ওমর আল-বশিরের অনুসারীদের একটি অভ্যুত্থানচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির অন্তর্বর্তী বেসামরিক সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় সেনারা।

সোমবার সেনা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদকসহ দেশটির একাধিক মন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। বন্ধ করে দেওয়া হয় খার্তুমের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা। দেশজুড়ে জরুরি অবস্থাও জারি করে সেনাবাহিনী।

অভ্যুত্থানের পর খার্তুমে বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দূতাবাস বলেছে, তারা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদক ও তাঁর মন্ত্রিসভাকে সুদানের ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাংবিধানিক নেতা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। তাদের এমন সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিলেন সেনাশাসকেরা।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন