বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাদি তাঁর প্লেবয় জীবনযাপনের জন্য বেশ আলোচিত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ইতালির পেশাদার ফুটবলার ছিলেন।

গত সপ্তাহে ত্রিপোলির কারাগার থেকে সাদির সঙ্গে আরও অনেকে মুক্তি পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন গাদ্দাফির সাবেক মন্ত্রিসভার সদস্য ও গোয়েন্দা প্রধান আহমেদ রমাদান।

লিবিয়ার সাবেক তথ্যমন্ত্রী মুসা ইব্রাহিম এখনো গাদ্দাফি পরিবারের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি তুরস্কের হাবারলারডটকম নিউজসাইটকে বলেন, সাদি তাঁর পরিবারের সঙ্গে তুরস্কে আছেন। তিনি আরও বলেন, সাদিকে মিসর ও সৌদি আরবও স্বাগত জানিয়েছে। তুরস্কও জানিয়েছে। সাদির দিকে সবাই মিলে যৌক্তিক কারণে তুরস্কের পক্ষেই মত দিয়েছেন। সাদিও সেখানে যেতে চাইছিলেন। পরে সব ব্যবস্থা করা হয়।

সাদির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত করার পাশাপাশি ২০০৫ সালে লিবিয়ার ফুটবল কোচ বশির আল-রায়ানিকে হত্যা। পরে ২০১৮ সালের এপ্রিলে তাঁকে হত্যার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন আদালত।

২০১১ সালে গাদ্দাফি হত্যার পর থেকেই গন্ডগোল চলছে লিবিয়ায়। তখন থেকে দেশটির ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে নামে বিরোধী দলগুলো। পরে ২০২০ সালে অস্ত্রবিরতির মধ্য দিয়ে তাদের সংঘাত থামে, খুলে যায় শান্তি আলোচনার পথ। চলতি বছরের মার্চে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে লিবিয়া। আগামী ডিসেম্বরে দেশটিতে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন