বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বুরহানের মিডিয়া উপদেষ্টা তাহের আবুহাগা বলেছেন, ‘আমরা জাতীয় স্বার্থের জন্য সমস্ত অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উদ্যোগ বিবেচনা করছি।’ গত ২৫ অক্টোবর অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশটির বেসামরিক সরকার উৎখাত করে সেনাবাহিনী।

সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভেঙে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেন। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদকসহ মন্ত্রিসভার প্রায় সব সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। বন্ধ করে দেওয়া হয় রাজধানী খার্তুমের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বন্ধ করা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। এ ঘটনার পর থেকে দেশটির রাজধানী খার্তুমে অভ্যুত্থানবিরোধী তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়।

এদিকে, সুদানের ক্ষমতাচ্যুত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদককে তাঁর পদে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি দেশটিতে বেসামরিক নেতৃত্বাধীন সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অবিলম্বে সংলাপে ফেরার জন্যও বুরহানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

টানা তিন দশক ক্ষমতায় থাকার পর ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল সুদানের সেনাবাহিনী। এরপর থেকে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে দেশটিতে শাসন করছিল সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক সরকার।

সেনা–অভ্যুত্থানের জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সুদানের রাজপথ। সেনা শাসনবিরোধী বিক্ষোভে দেশটিতে বেশ কিছু মানুষ নিহত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সুদানে সেনা–অভ্যুত্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দেশটিকে দেওয়া অর্থসহায়তা ইতিমধ্যে স্থগিত করেছে বিশ্বব্যাংক।

দেশটিতে চলমান সংকট নিরসনে মধ্যস্থতা শুরু করেছে জাতিসংঘ। সংকট নিরসনে দেশটিতে বিশেষ দূত পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন