হতাহতদের মধ্যে জাতিসংঘের কোনো সদস্য রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বহরটি একটি স্কুলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
পুলিশের মুখপাত্র আবদিফাতাহ আদেস হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আটজনকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। আর ১৩ জন স্কুলশিক্ষার্থীসহ ১৭ জনকে আহত অবস্থায় পেয়েছি।’

তবে আমিন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের পরিচালক আবদিকাদির আবদিরাহমান রয়টার্সকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ১৩ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
আল শাবাবের সামরিক অভিযানের মুখপাত্র আবদিয়াসিস আবু মুসাব তাঁরাই এ হামলা চালিয়েছেন বলে রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা জাতিসংঘের বহরকে লক্ষ্য করেই এ হামলা চালিয়েছেন।

মোগাদিসুর প্রাণকেন্দ্র কে-ফোর জংশনের কাছে এই বিস্ফোরণ অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। বিস্ফোরণের ধাক্কায় নিকটবর্তী মুকাসসার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের দেয়ালগুলো ভেঙে পড়ে। বিস্ফোরণে অনেকগুলো গাড়ি ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।

ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী ওসমান হাসপাতালের নার্স মোহাম্মদ হুসেন বলেন, ‘বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আমরা কেঁপে উঠি, এরপর গুলির তীব্র শব্দে কানে তালা লেগে যায়।’

বিস্ফোরণে ধসে পড়া একটি সিলিংয়ের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাঁকে টেনে বের করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালের দেয়ালগুলো ধসে পড়েছে। আমাদের বিপরীত পাশের একটি স্কুলও ধসে পড়েছে। আমি জানি না কতজন মারা গেছে।’

আল শাবাব বছরের পর বছর ধরে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতা লাভ করে দেশজুড়ে ইসলামি শরিয়াহ আইনের ভিত্তিতে নিজেদের মতো করে কট্টর পন্থা চালু করতে চাওয়া সংগঠনটি সোমালিয়া ও অন্যান্য স্থানে প্রায়ই বোমা ও বন্দুক হামলা চালায়।