মোগাদিসুর ব্যস্ততম এলাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছেই প্রথম বিস্ফোরণটি হয়েছে। এরপরই অ্যাম্বুলেন্স আসলে মানুষ আহত ও নিহত ব্যক্তিদের সরানোর কাজ করার সময় দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি ঘটে।

বিস্ফোরণ এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ বলেন, ‘আমাদের মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন।’

তাৎক্ষণিকভাবে কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে প্রেসিডেন্ট জঙ্গি গোষ্ঠী আল শাবাবকে দায়ী করেছেন।

এর আগে ২০১৭ সালে সোমালিয়ার সবচেয়ে বড় হামলাটি এই একই স্থানে হয়েছিল। এই বোমা হামলায় ৫০০ জনেরও প্রাণহানি হয়। একটি ব্যস্ত হোটেলের বাইরে একটি ট্রাক বোমার বিস্ফোরণ ঘটে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছিল।