বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৫ আগস্ট আফগানিস্তানে জাতিসংঘের কর্মীদের হয়রানির বিষয়ে কিছু নথিপত্র রয়টার্সের হাতে আসে। জাতিসংঘের ওই নথিতে উল্লেখ করা হয়, তালেবানের হাতে কাবুলের পতনের আগে ১০ আগস্ট থেকেই একাধিক হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় থেকে তালেবান সদস্যদের কাছে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন জাতিসংঘের কর্মীরা। লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে জাতিসংঘের নানা কার্যালয়ে। নানা হুমকিও আসছে তালেবানের কাছ থেকে।

আফগানিস্তানের মানুষের জন্য জাতিসংঘের কর্মীদের দেশটিতে অবস্থান করা খুবই জরুরি বলে মনে করেন ডেবোরাহ লায়ন্স। তিনি বলেন, কর্মীরা যদি এভাবে জীবনের ঝুঁকির মধ্য থাকেন এবং স্বাধীনভাবে চলাচল না করতে পারেন, তাহলে জাতিসংঘ কাজ চালিয়ে যেতে পারবে না।

এ নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদকে মার্কিন কূটনীতিক জেফরি ডিলরেন্টিস বলেন, ‘আফগানিস্তানে জাতিসংঘের কর্মীদের ওপর তালেবান সহিংসতা চালাচ্ছে—এমন খবরে আমরা ক্ষুব্ধ। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

মার্কিন এই কূটনীতিক বলেন, আফগানিস্তানে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএইডের নারী কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে যেতে দেওয়া হচ্ছে না এবং পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে খবর পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ডেবোরাহ লায়ন্স বলেন, জাতিসংঘের কর্মীদের অবশ্যই সব ধরনের চাপ ও বৈষম্যের বাইরে থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

গত মাসে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে তালেবান। তবে তাদের কথা সঙ্গে কাজ মিলছে না তেমন। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একের পর এক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আসছে তালেবানের বিরুদ্ধে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন