বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মন্ত্রণালয়ের বাইরে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বাসিরা তাওয়ানা নামের এক নারী বলেন, নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয় অবশ্যই পুনরায় চালু করতে হবে। নারীদের সরিয়ে দেওয়া মানে মানুষকেই সরিয়ে দেওয়া।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরেক নারী তারানুম সায়েদি বলেন, মেয়েদের বাড়িতে রেখে, তাদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে, তাদের স্কুলে যেতে না দিয়ে আফগান নারীদের দমানো যাবে না।

এ প্রসঙ্গে তারানুম সায়েদি বলেন, ‘আফগানিস্তানের আজকের নারীরা ২৬ বছর আগের নারী নয়।’

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ছিল। তখন তারা মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। নিষিদ্ধ করেছিল বাইরে নারীদের চাকরি করা।

তালেবানের আগের আমলে নীতিনৈতিকতা-বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছিল। তখন এই মন্ত্রণালয় তালেবানের কট্টর ধর্মীয় মতাদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করেছিল।

default-image

নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নারী কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, গত মাসে আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে যাওয়ার পর তাঁরা কয়েক সপ্তাহ ধরে মন্ত্রণালয়ে তাঁদের কাজে ফেরার চেষ্টা করেছেন। তাঁরা মন্ত্রণালয়ের ভেতরে ঢুকতে চেয়েছেন। কিন্তু তালেবান তাঁদের কাজে ফিরতে দেয়নি। তাঁদের বাড়ি ফিরে যেতে বলেছে।

আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর তালেবান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা নারীর অধিকার সুরক্ষা করবে। কিন্তু নারীর অধিকার সুরক্ষায় তালেবানের কাজের সঙ্গে তাদের প্রতিশ্রুতির কোনো মিল এখন পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন