বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গেল দিনগুলোতে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি করেছে উত্তর কোরিয়া। গত সপ্তাহেই উচ্চগতিসম্পন্ন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফলভাবে উৎক্ষেপণের দাবি করে দেশটি। সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থাকা দেশগুলোর ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতার পাল্লায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র একটি অত্যাধুনিক সংস্করণ। এটি শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ গতিতে ছুটে যেতে পারে। এ কারণে প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় এটি মোকাবিলা করা বেশ কঠিন।

এর আগে গত মাসের শুরুর দিকে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফলভাবে পরীক্ষার দাবি জানায় উত্তর কোরিয়া। এসব পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দেশটি ‘অস্থিরতা এবং নিরাপত্তাহীনতা’ বাড়িয়েই চলেছে বলে গত মঙ্গলবার জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা না করার বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এরপরও বারবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় নড়েচড়ে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স। শুক্রবারেই উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বসার কথা রয়েছে দেশ তিনটির।

তবে আন্তর্জাতিক নানা বিধিনিষেধ উত্তর কোরিয়ার অস্ত্রের মজুত বাড়ানোয় লাগাম টানতে পারেনি। তাদের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের হাত থেকে নিজেদের প্রতিরক্ষা করতেই ক্ষেপণাস্ত্র সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যাচ্ছে তারা। মাথা ব্যথার কারণ দক্ষিণ কোরিয়াও। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে দেশটির মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন রয়েছে কমবেশি সাড়ে ২৮ হাজারের মতো মার্কিন সেনা। উত্তর কোরিয়ার হাত থেকে বন্ধু দেশটিকে রক্ষা করতেই এই সেনা মোতায়েন বলে জানিয়ে আসছে ওয়াশিংটন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন