পরে জুমার নামাজের সময়ও আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ডোম অব দ্য রকের কাছে অবস্থান নেওয়া মুসল্লিদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।

মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাসের সঙ্গে ইহুদিদের ‘পাসওভার উৎসবের’ সময় মিলে যাওয়ায় এ বছর উত্তেজনা বেড়েছে। ১৫ এপ্রিল পাসওভারের প্রথম দিন আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১৫৮ ফিলিস্তিনি আহত হন। গ্রেপ্তার করা হয় ৪০০ ফিলিস্তিনিকে।

গত সপ্তাহে পাসওভারের সময় পুলিশি নিরাপত্তায় সেটলার ইহুদিদের আল-আকসা চত্বরে অনুপ্রবেশ ঘিরে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে প্রায় প্রতিদিনই সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অনেকে আহত হয়েছেন। অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাস্তবে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়লেও ফিলিস্তিনিরা বলছেন, আল-আকসায় তাদের উপস্থিতি জরুরি। রানা মোহাম্মদ বলেন, ‘জেরুজালেম ও আল-আকসায় আসাটা জনগণের জন্য জরুরি। এতে আপনার নৈকট্য অনুভূত হবে, জেরুজালেমের প্রতি আপনি দায়িত্ব অনুভব করবেন। আমাদের শিশুদের জানানোর জন্য যে এটা আমাদের ভূমি, আল-আকসা আমাদের ধর্মবিশ্বাসের অংশ।’

যেসব ফিলিস্তিনি জেরুজালেমের বাসিন্দা এবং যাঁদের ইসরায়েলি পাসপোর্ট আছে, তাঁরা যেকোনো সময় আল-আকসায় আসতে পারেন। কিন্তু দখলকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা রমজান মাসে আল-আকসায় আসার বিরল সুযোগটি পান। রমজান মাস ছাড়া জেরুজালেমে প্রবেশ করতে হলে দুর্লভ সামরিক অনুমতিপত্র নিতে হয় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে।

রানা মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা সাধারণ সময়ে আসতে পারি না। তাই এ সময়ের জন্য আপনাকে ক্ষণ হিসাব করেই অপেক্ষা করতে হয়। এখানে আসার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এখানে এলে আপনি অনুভব করবেন, আপনার বিশ্বাস নতুন করে উদ্দীপ্ত হচ্ছে।’

ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ফিলিস্তিনিদের হামলা বেড়েছে। গত তিন সপ্তাহে ১৪ ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। এদিকে, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৪৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন