ইসরায়েলি পুলিশের এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ‘দাঙ্গাকারীরা’ পাথর ও পটকা নিক্ষেপের পরই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা আল–আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দাঙ্গাবিরোধী ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শী ও এএফপির প্রতিবেদকেরা বলছেন, পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। ফজরের নামাজের পর সংঘর্ষের মাত্রা কমে আসে বলেও জানান তাঁরা। তবে ঘটনাস্থলে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট বলছে, আহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগেরই শরীরের ওপরের অংশে আঘাত লেগেছে।

সম্প্রতি আল–আকসায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত দুই সপ্তাহে পবিত্র আল–আকসা প্রাঙ্গণে সংঘর্ষের ঘটনায় ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, গত বছর আল–আকসার অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি বাহিনী ও হামাসের মধ্যে ১১ দিনব্যাপী যে যুদ্ধ হয়েছিল, একই রকমের একটি যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন