বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মূলত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের অনুরোধে এই বৈঠক হয়। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যভুক্ত একটি দেশের একজন কূটনীতিক বলেন, ফ্রান্স চেয়েছিল এ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদ একটি বিবৃতি দিক। কিন্তু রাশিয়া ও চীন বলেছে, এখন বিবৃতি দেওয়ার সময় নয়, বরং পরিস্থিতি বিশ্লেষণের জন্য আরও সময় প্রয়োজন।

এদিকে শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওই দিন বিমানবিধ্বংসী নতুন ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে পিয়ংইয়ং। শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ এ তথ্য জানিয়েছে।

কেসিএনএ জানায়, বৃহস্পতিবার উড়োজাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষামূলকভাবে ছোড়া হয়। এর মধ্য দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির কার্যকারিতা যাচাই করা হয়েছে। এতে সংযোজন করা হয়েছে একেবারেই নতুন কিছু প্রযুক্তি।

গেল দিনগুলোতে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি করেছে উত্তর কোরিয়া। গত সপ্তাহেই উচ্চগতিসম্পন্ন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফলভাবে উৎক্ষেপণের দাবি করে দেশটি। সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থাকা দেশগুলোর ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতার পাল্লায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র একটি অত্যাধুনিক সংস্করণ। এটি শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ গতিতে ছুটে যেতে পারে। এ কারণে প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় এটি মোকাবিলা করা বেশ কঠিন।

এর আগে গত মাসের শুরুর দিকে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফলভাবে পরীক্ষার দাবি জানায় উত্তর কোরিয়া। এসব পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দেশটি ‘অস্থিরতা এবং নিরাপত্তাহীনতা’ বাড়িয়েই চলেছে বলে গত মঙ্গলবার জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা না করার বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এরপরও বারবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় নড়েচড়ে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন