বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সপ্তাহ তিনেক আগে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারপর থেকে রাজধানী কাবুলসহ দেশটির একাধিক স্থানে বিক্ষোভ করেছেন নারীরা। হেরাতেও নারীরা বিক্ষোভ করেছেন।

আফগান নারীরা কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার অধিকার দাবি করছেন। পাশাপাশি নতুন সরকারে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছেন।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ছিল তালেবান। সে সময় নারী অধিকারের চরম লঙ্ঘন ঘটে। শিক্ষাসহ বিভিন্ন মৌলিক ও মানবিক অধিকার থেকে নারীদের বঞ্চিত করে তালেবান। তালেবান আবার আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করায় নারীরা তাঁদের অধিকারের বিষয়ে শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন।

কাবুলের বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন অজিতা নাজিমি নামের এক সাংবাদিক। আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজকে তিনি বলেন, ‘২৫ বছর আগে তালেবান যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তারা আমাকে স্কুলে যেতে দেয়নি। পাঁচ বছরের তালেবান শাসন শেষে আমি পড়ালেখা করেছি। কঠিন পরিশ্রম করেছি। একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য আমরা আর আগের মতো অবস্থা হতে দেব না।’

তালেবান সদস্যরা বিক্ষোভকারী নারীদের মাথায় বন্দুক দিয়ে আঘাত করেছেন বলে অভিযোগ করেন সোরায়া নামের এক নারী। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, তালেবানের হামলায় অনেক নারী রক্তাক্ত হন।

শিগগিরই আফগানিস্তানে নতুন সরকার ঘোষণা করতে যাচ্ছে তালেবান। তারা জানিয়েছে, নতুন সরকারে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। তবে মন্ত্রিত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীদের রাখা হবে না।

হেরাতে নারীদের অধিকার আদায়ের বিক্ষোভের প্রশংসা করেছেন তালেবানবিরোধী সংগঠন ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের (এনআরএফ) নেতা আহমেদ মাসুদ। আফগানিস্তানের ৩৩টি প্রদেশ তালেবানের নিয়ন্ত্রণে এলেও পানশিরে এখনো লড়াই চলছে। সেখানে তালেবানের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এনআরএফ। পানশিরের বড় অংশ দখলের দাবি করেছে তালেবান। তবে তালেবানের দাবি নাকচ করেছে এনআরএফ।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন