বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত মাসে তালেবান কাবুল দখলের পর অনেক পুলিশ সদস্য তাঁদের পোস্ট খালি করে চলে গিয়েছিলেন। তালেবান কী করে, তা নিয়ে ভয়ে ছিলেন তাঁরা। দুই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তালেবান কমান্ডারদের কাছ থেকে ফোন পেয়ে গত শনিবার তাঁরা কাজে ফেরেন। গতকাল রোববার বিমানবন্দরের মূল ভবনের বাইরে বিভিন্ন চেকপয়েন্টে পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন দেখা যায়। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল এলাকায়ও পুলিশ সদস্যদের দেখা যায়।

পুলিশের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘বাড়িতে পাঠানোর দুই সপ্তাহ পর আবার কাজে ফিরেছি আমি। এর মধ্যে তালেবানের জ্যেষ্ঠ এক সদস্য ফোন করে আমাকে কাজে ফিরতে বলেন। কালকের দিনটি ছিল দারুণ। আবার কাজে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে।’

তালেবানের পক্ষ থেকে সাবেক সরকারের সব কর্মকর্তাকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে সেনা, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বিভাগও রয়েছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, তাঁরা বিরোধী শক্তিগুলোও একীভূত করতে চান। কিন্তু কীভাবে হবে, তা এখনো ঠিক হয়নি।

গত ৩০ আগস্ট মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ আফগানিস্তান ছাড়ার দিনে কাবুল বিমানবন্দর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কাতারের প্রযুক্তিগত সহায়তায় রাজধানীর বিমানবন্দরটি আবার চালু করতে হিমশিম খাচ্ছে তালেবান। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত আফগানিস্তানে কয়েক টন খাদ্য ও সাহায্যসামগ্রী পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন