বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তালেবান যে বাজেটের অনুমোদন দিয়েছে, তাতে বিদেশি সাহায্যের কোনো উল্লেখ নেই।

মার্কিন-সমর্থিত সাবেক আফগান সরকারের আমলে দেশটির অর্থনীতি ব্যাপকভাবে বিদেশি সাহায্যনির্ভর ছিল।

তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর পশ্চিমা দেশগুলো আফগানিস্তানে কোটি কোটি ডলারের সহায়তা বন্ধ করে দেয়। একে আফগানিস্তানের জন্য একটি অভূতপূর্ব আর্থিক ধাক্কা হিসেবে বর্ণনা করেছে জাতিসংঘ।

তালেবান অর্থ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আহমদ ওয়ালি হকমাল বলেন, ‘গত দুই দশকে প্রথমবারের মতো আমরা এমন একটি বাজেট তৈরি করেছি, যা বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। এটি আমাদের জন্য একটা খুব বড় অর্জন।’

৫৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন আফগান মুদ্রার এ বাজেট গত বুধবার অনুমোদন দেওয়া হয়। বাজেটের আওতাকাল ২০২২ সালের প্রথম ত্রৈমাসিক। অনুমোদন দেওয়া বাজেটটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে সরকারি প্রতিষ্ঠানে অর্থায়নের জন্য নিবেদিত।

বাজেটের প্রায় ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন আফগানি ব্যয় করা হবে পরিবহন অবকাঠামোসহ উন্নয়ন প্রকল্পে। এ প্রসঙ্গে তালেবান অর্থ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হকমল বলেন, এ অর্থের পরিমাণ সামান্য। কিন্তু আপাতত তাঁরা এ অর্থই বরাদ্দ করতে পারছেন।

হকমল বলেন, ‘তালেবান কোষাগারের অর্থায়ন আমাদের নিজস্ব সম্পদ দিয়েই করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কর, বাণিজ্য, খনি রাজস্ব।’

তালেবান অর্থ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, সরকারি কর্মচারীরা, যাঁদের অনেকেই কয়েক মাস ধরে বেতন পাননি, তাঁরা জানুয়ারির শেষে বেতন পেতে শুরু করবেন।
দেশটির সরকারি নারী কর্মীরা, যাঁদের বেশির ভাগকে তাঁদের চাকরিতে ফিরে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে, তাঁদেরও বেতন দেওয়া হবে বলে জানান হকমল।

তালেবান অর্থ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘তাঁরা (নারী কর্মী) কাজে ফিরে এসেছেন বলে আমরা গণ্য করি। আমরা তাঁদের বরখাস্ত করিনি।’

আগামী মার্চে তালেবান তাদের প্রথম বার্ষিক বাজেট ঘোষণা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে আফগানিস্তানে মানবিক বিপর্যয় ঠেকানোর পাশাপাশি বিধ্বস্ত দেশটি পুনর্নির্মাণে তাদের ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের তহবিল দরকার।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন