বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, হামলায় নিহতদের যে অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা আইনের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে।
আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে প্রায় সাত হাজার ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দিয়েছে ব্রিটিশ বাহিনী। এর কিছু নথিও পাওয়া গেছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সবচেয়ে কম বয়সী যে শিশু মারা গেছে, তার বয়স তিন বছর। মাইন অপসারণের সময় শিশুটি মারা যায়। আর ব্রিটিশ বাহিনীর হামলায় যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের মধ্যে ১৬ শিশু রয়েছে।

‘ফ্রিডম অব ইনফরমেশন’ আইনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। দাতব্য প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন অন আর্মড ভায়োলেন্সের (এওএভি) মারি জোন্স বলেন, ব্রিটিশ বাহিনী এই তথ্য বিশ্লেষণ করেনি। একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান এই তথ্য বিশ্লেষণ করেছে, এটা উদ্বেগের।

এদিকে ব্রিটিশ বাহিনী ক্ষতিপূরণ হিসেবে যে অর্থ দিয়েছে, তার পরিমাণ ব্যক্তি ও স্থানভেদে ভিন্ন। যেমন ২০০৮ সালে একজন নিহত এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে একটি পরিবারকে দেওয়া হয়েছে ১৪৩ ডলার। কিন্তু কে এই ব্যক্তি কিংবা ওই ব্যক্তি কোথায় নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

যদিও নিহতের ঘটনার চেয়ে মামুলি ঘটনায় বেশি অর্থ ব্যয় করেছে ব্রিটিশ বাহিনী। হেলমান্দে ব্রিটিশ বাহিনীর বিমান ঘাঁটিতে একটি মুঠোফোন হারানোর ঘটনায় ১৫০ ডলার দেওয়া হয়েছে। ছয়টি গাধা মারা যাওয়ায় দেওয়া হয়েছে ৯০৮ ডলার। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে ১০ বছরের এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ৮০৪ ডলার দেওয়া হয়েছে। ওই মাসেই চারটি শিশুকে হত্যার ঘটনায় ৫ হাজার ৮০০ ডলার দিয়েছিল ব্রিটিশ বাহিনী। ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাসিসট্যান্স ফোর্সের হামলায় তারা নিহত হয়েছিল।

আবার ব্রিটিশ বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া গুলিতে পাঁচ আফগান শিশু আহত হয়েছিল। তাদের দেওয়া হয়েছিল প্রায় ১০ হাজার। এসব ঘটনা প্রসঙ্গে জোন্স বলেন, এসব হতাহতের ঘটনার মধ্যে খুব কমই গণমাধ্যমে এসেছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন