বিজ্ঞাপন

আদালতের নথি অনুযায়ী, চেন নামের ওই পুরুষ ওয়াং নামের নারীকে বিয়ে করেন ২০১৫ সালে। কিন্তু বিচ্ছেদ চেয়ে গত বছর আদালতে আবেদন করেন চেন।

ওয়াং প্রথমে বিচ্ছেদে রাজি ছিলেন না। তবে পরে তিনি বিচ্ছেদের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। তিনি যুক্তি দেন, বৈবাহিক জীবনে তাঁর স্বামী চেন ঘরের কোনো কাজই করেননি। এমনকি তাঁদের ছেলের দেখভালের দায়িত্বও পালন করেননি চেন।

বেইজিংয়ের ফাংশান জেলা আদালত ওয়াংয়ের পক্ষে রায় দেন। ওয়াং বৈবাহিক জীবনে ঘরের যেসব কাজ করেছেন, তার জন্য তাঁকে এককালীন ৫০ হাজার ইউয়ান দিতে চেনকে নির্দেশ দেন আদালত। এ ছাড়া বিচ্ছেদর পর ওয়াংয়ের খোরপোষ বাবদ তাঁকে মাসে দুই হাজার ইউয়ান করে দেওয়ার জন্য চেনকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালত বলেছেন, বিবাহবিচ্ছেদের পর সাধারণত দুজনের (দম্পতি) যৌথ পরিমাপযোগ্য সম্পত্তি ভাগাভাগি হয়। কিন্তু গৃহকর্ম অপরিমাপ্য সম্পত্তি, আর তার মূল্য রয়েছে।

মামলার রায় নিয়ে চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইবো সরগরম হয়ে উঠেছে। সেখানে এ নিয়ে চলছে তর্ক-বিতর্ক।

অনেক ব্যবহারকারী বলছেন, পাঁচ বছরের গৃহকর্মের জন্য ৫০ হাজার ইউয়ান খুবই কম মজুরি।

উইবোতে একজনের মন্তব্য, তিনি হতবাক। একজন পূর্ণকালীন গৃহিণীর ঘরের কাজের মূল্যকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। বেইজিংয়ে একজন আয়াকে এক বছরের জন্য নিয়োগ দিলে ৫০ হাজার ইউয়ানের বেশি খরচ হয়।

অন্যরা বলছেন, সংসারে পুরুষদের আরও বেশি ঘরের কাজ করা উচিত।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন