বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঝাও লিজিয়ান বলেন, তিনজন বিশেষ দূত ২১ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর কাবুল সফর করেন। তাঁরা তালেবানের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি, অর্থমন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এসব বৈঠকে আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ দমন ও মানবিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা করেছেন তাঁরা।

মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং তালেবান কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এই প্রথম কোনো বিদেশি দূত হামিদ কারজাই ও আবদুল্লাহ আবদুল্লাহর সঙ্গে আলোচনা করলেন। তাঁদের এই সাক্ষাতের পরপরই তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে জাতিসংঘে চিঠি দিয়ে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগ্রহ জানানো হয়।

তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি লেখেন, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এ সম্মেলনে অংশ নিতে চায় তালেবান।

ক্ষমতাচ্যুত আফগান সরকারের রাষ্ট্রদূত গোলাম ইসাকজাইকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করেছে তালেবান। এই চিঠিতে বলা হয়েছে, ইসাকজাই আর আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করছেন না। তাঁর জায়গায় সুহাইল শাহিনকে স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে তালেবান। সুহাইল শাহিন তালেবানের অন্যতম মুখপাত্র।

আফগানিস্তানে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী চীন ও পাকিস্তান। এর পাশাপাশি আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী দেশগুলোকে নিয়ে নতুন একটি গ্রুপ তৈরি করতে চাইছে দেশ দুটি। সম্ভাব্য এই গ্রুপে চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে ইরান, তাজিকিস্তান, তুর্কেমিনিস্তান ও উজবেকিস্তান রয়েছে। এই দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ৭ সেপ্টেম্বর একটি ভার্চ্যুয়াল সভা করেছিলেন।

গতকাল মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, নতুন গ্রুপ তালেবানের অন্তবর্তীকালীন সরকারের অনুমোদন বাড়াতে কাজ করবে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন