বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বুধবার টুইটারে শেয়ার করা এক বিবৃতিতে গনি বলেন, দেশে ছেড় পালানো তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত। তিনি এ জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সহিংসতার ব্যাপকতা এড়াতে তাঁর দেশ ছেড়ে যাওয়া ছাড়া অন্য উপায় ছিল না।

গনির দাবি, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের নিরাপত্তা দলের পরামর্শে তিনি আফগানিস্তান ত্যাগ করেন। তিনি কাবুল ও তার ৬০ লাখ জনগণকে বাঁচাতে এমনটাই করেছেন। তিনি বলেন, আফগানিস্তানকে ‘গণতান্ত্রিক, উন্নত ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে’ পরিণত করতে তিনি ২০ বছর কাজ করে গেছেন।

৭২ বছর বয়সী গনি বলেন, পূর্বসূরিদের মতোই তাঁর অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটায় তিনি গভীর দুঃখভারাক্রান্ত।
১৮ আগস্ট ফেসবুক লাইভে গনি বলেছিলেন, তাঁর নিরাপত্তার বাহিনীর ‘চাপের’ মুখে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। কারণ, তাঁকে আটক করে হত্যার আশঙ্কা ছিল।

তিনি বলেন, ‘তালেবান যখন প্রেসিডেন্ট প্যালেসে ঢোকে, তখন তারা আমাকে প্রতিটি কক্ষে গিয়ে খুঁজছিল।’

তবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রচুর অর্থ সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন ‘স্যান্ডেল খুলে জুতা পরার সুযোগও আমাকে দেওয়া হয়নি।’

অভিযোগ রয়েছে, গনি দেশ ছাড়ার সময় ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলারের সম্পদ সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন