বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চালকবিহীন ট্রেন চালু করার লক্ষ্য নিয়ে এ পরীক্ষা চালানো হলেও বুধবার পরীক্ষার সময় ট্রেনে একাধিক চালক ও সহকারী উপস্থিত ছিলেন। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে ট্রেনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন তাঁরা।

নিগাতা স্টেশন থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার চলার পরে এবং প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতি ১১০ কিলোমিটারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পর ট্রেনটি নিগাতা শিনকানসেন ট্রেন ডিপোতে থামে। কিন্তু ট্রেনটি যেখানে থামার কথা ছিল তার চেয়ে আট সেন্টিমিটার দূরে গিয়ে থামে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এটা নির্দিষ্ট সীমা ৫০ সেন্টিমিটারের মধ্যেই ছিল।

ইস্ট জাপান রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, স্বয়ংক্রিয় এই ট্রেনের থামার কৌশলের সঙ্গে চালকের ট্রেন থামানোর কৌশলের মিল রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে তা আরও উন্নত হবে। গত ২৯ অক্টোবর থেকে স্বয়ংক্রিয় ট্রেন পরীক্ষার সময় পর্যন্ত কারিগরি দিকগুলো ঠিকঠাক করছিল প্রতিষ্ঠানটি। এ ছাড়া ট্রেনটি যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে থামানো যায়, তা নিয়েও পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

জাপানে ইতিমধ্যে বাণিজ্যিকভাবে চালু থাকা বুলেট ট্রেনের স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা চালকবিহীন চলাচলের প্রথম পরীক্ষা ছিল এটি।

জাপানের এই রেলওয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, কবে নাগাদ স্বয়ংক্রিয় ট্রেন পুরোপুরি চালু করা হবে তা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। চালকবিহীন ট্রেনটি সফলভাবে চালানোর জন্য দূর থেকে এর নিয়ন্ত্রণ ও ট্রেনের ভেতরের কার্যক্রমের নজরদারি প্রয়োজন। ইস্ট জাপান রেলওয়ে এজন্য স্থানীয় ফাইভজি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে, যাতে ট্রেন থেকে দ্রুত ভিডিও পাঠানো এবং তা একই সময়ে নজরদারি করা যায়।

প্রতিষ্ঠানটি এর মধ্যেই টোকিওর ব্যস্ত ইয়ামানোট লুপ লাইনে তাদের ট্রেনের পরীক্ষা চালিয়েছে। এ ছাড়া আলফা-এক্স নামের ট্রেনেও এ ধরনের পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
ইস্ট জাপান রেলওয়ে ছাড়াও দেশটিতে ওয়েস্ট জাপান রেলওয়ে কোম্পানি, কায়োশো রেলওয়ে কোম্পানিও স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে। জাপানে কিছু মনোরেলের জন্য ইতিমধ্যে স্বয়ংক্রিয় রেলরোড অপারেশন সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন