default-image

নিউজিল্যান্ডে আজ শনিবার থেকে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তবে দেশটির পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হচ্ছে, টিকাদান কর্মসূচি মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রাথমিক পদক্ষেপমাত্র।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসা পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। ৫০ লাখের বেশি জনসংখ্যার দেশটিতে এখন পর্যন্ত মাত্র ২৬ জন করোনার সংক্রমণে মারা গেছেন।

অকল্যান্ডে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জারি করা লকডাউন তুলে নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করল দেশটি। এর আগে শহরটির বাসিন্দাদের তিন দিন ঘরে থাকতে বলা হয়।

নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক অ্যাশলে ব্লুমফিল্ড বলেন, ‘টিকাদান শুরুর বিষয়টিকে নতুন অধ্যায় শুরু বলতে পারি। তবে আমাদের আরও অনেক দূর যেতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

নিউজিল্যান্ডের টিকাদান কর্মসূচির শুরুতে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা নাগরিক ও বিদেশ থেকে ফেরত আসা লোকজনকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত ও কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে কাজ করা কর্মীদেরও টিকা দেওয়া হচ্ছে।
নিউজিল্যান্ডের মতোই অস্ট্রেলিয়ায়ও গত সোমবার থেকে ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা দেওয়া হচ্ছে।

তবে দেশ দুটিতে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য সীমান্ত বন্ধ রাখায় পর্যটন খাতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। দেশ দুটির অর্থনীতি পর্যটনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

নিউজিল্যান্ডে টিকাদান কর্মসূচি চালু হলেও সরকারের পক্ষ থেকে শিগগিরই আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন