বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে বলা হয়, আফগানিস্তানের সব কূটনৈতিক মিশন ইসলামি প্রজাতন্ত্র আফগানিস্তানের সংবিধানের আলোকে তাদের স্বাভাবিক কাজ ও দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের বিষয়টি অব্যাহত রাখবে।

ভারতে আফগান দূতাবাস থেকে বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছে বলে জানায় এনডিটিভি। বিবৃতিতে বলা হয়, তথাকথিত তালেবান মন্ত্রিসভা এমন ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত, যাঁরা শুধু আফগানিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতারই বিরোধী নন, তাঁরা আঞ্চলিক ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা-স্থিতিশীলতার জন্যও মারাত্মক হুমকি।

কাবুল দখলের তিন সপ্তাহ পর গত মঙ্গলবার কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদের নিয়ে আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষণা করে তালেবান। সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তালেবানের কয়েকজন বর্ষীয়ান নেতা ও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় থাকা হাক্কানি নেটওয়ার্কের নেতাদের।

গত ১৫ আগস্ট তালেবানের হাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের পতন হয়। তালেবানের কাবুল দখলের মুখে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে যান। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আশ্রয় নেন।

গনির এভাবে দেশ থেকে পালানো নিয়ে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। সমালোচকেরা বলেন, নিজ দেশের নাগরিকদের রক্ষার দায়িত্ব ছিল গনির। কিন্তু তিনি তা না করে আফগান জনগণকে বিপন্ন অবস্থায় রেখে পালিয়ে গেছেন।

গত বুধবার একটি বিবৃতি দিয়েছেন গনি। আফগানিস্তান ত্যাগ করার জন্য তিনি দেশটির জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তাঁর দাবি, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের নিরাপত্তা দলের পরামর্শে তিনি আফগানিস্তান ত্যাগ করেন।

গনি বলেছেন, তাঁকে সতর্ক করে বলা হয়েছিল, যদি তিনি কাবুলে থাকেন, তাহলে রাজধানীর সড়কে সড়কে ভয়াবহ লড়াই হওয়ার ঝুঁকি আছে।

কাবুল ছেড়ে চলে যাওয়ার বিষয়টিকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল বলে উল্লেখ করেন গনি। তবে তাঁর ভাষ্য, বন্দুক নীরব রাখার পাশাপাশি কাবুল ও তার অধিবাসীদের বাঁচানোর জন্য তাঁর সামনে পালানোই ছিল একমাত্র উপায়।

দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় গনি বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে যান বলে অভিযোগ আছে। বিবৃতিতে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন