বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব উপদ্বীপ দুটিতে ছড়িয়ে পড়ে, যা ১৯৫৩ সালে শান্তিচুক্তির পরিবর্তে একটি যুদ্ধবিরতি দিয়ে শেষ হয়েছিল। কিন্তু এরপরও দেশ দুটি একধরনের যুদ্ধে লিপ্ত আছে, যা মাঝেমধ্যে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়।

চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন কোরিয়া উপদ্বীপে শান্তি ফিরিয়ে আনতে দেশ দুটির বন্ধু যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের দ্বন্দ্ব নিরসনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে উত্তর কোরিয়ার এক মন্ত্রী প্রাথমিকভাবে এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে এটিকে ‘অপূর্ণাঙ্গ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

কিন্তু শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত এক সংবাদ বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, ওই ধারণাটি ‘প্রশংসনীয়’ ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়া তাদের প্রতি “বিদ্বেষমূলক নীতিমালা” বাদ দিলেই উত্তর কোরিয়া আলোচনায় বসতে আগ্রহী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ জন্য দক্ষিণ কোরিয়াকে দ্বৈত সমঝোতার মনোভাব, অযৌক্তিক কুসংস্কার, বাজে অভ্যাস ও নিজেদের কর্মকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গাওয়ার মতো বিদ্বেষমূলক অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। এ ছাড়া আমাদের আত্মরক্ষার অধিকারচর্চার ভুল ধরার মানসিকতা থেকেও বের হয়ে আসতে হবে।’

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন