বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ মেলা হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে তা পিছিয়ে যায়। দুবাইয়ের অদূরে বিশাল এ নির্মাণযজ্ঞে কাজ করছেন বিভিন্ন দেশের দুই লাখের বেশি শ্রমিক। শত শত প্যাভিলিয়ন ও অন্যান্য অবকাঠামো মিলিয়ে যে জায়গা নিয়ে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে, তার আয়তন ইউরোপের দেশ মোনাকোর চেয়ে দ্বিগুণ।
শ্রমিকদের দিয়ে অমানবিকভাবে কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য মানবাধিকার সংস্থাগুলো প্রায়ই সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ কাতারের সমালোচনা করে আসছে। এসব শ্রমিকের বেশির ভাগ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাগরিক। অভিবাসী এ শ্রমিকেরাই কাতার ও আমিরাতের উচ্চাভিলাসী সব অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করেন।

মেলার আয়োজক কর্তৃপক্ষের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখন পর্যন্ত কাজ করতে গিয়ে তিনজনের প্রাণহানি হয়েছে, আহত হয়েছেন ৭২ জন। বিবৃতিতে শ্রমিকদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবিও করেছে কর্তৃপক্ষ।
মেলা আয়োজক কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মেলা আয়োজনে অবকাঠামোসহ অন্যান্য কাজের জন্য ২৪ কোটি ৭০ লাখ কর্মঘণ্টা লেগেছে এবং এই সময় যেসব দুর্ঘটনা ঘটেছে, সংখ্যার বিচারে তা যুক্তরাজ্যের চেয়ে কম।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, মেলা আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সুরক্ষা, নিরাপত্তা, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা বিশ্বমানের নীতি, পদক্ষেপ ও কর্মপরিবেশ প্রতিষ্ঠা করেছি।

গতকাল মেলার স্থান পরিদর্শনের পর ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভেস লে ড্রিয়ান বলেন, ‘ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট যে প্রস্তাব পাস হয়েছে, ফ্রান্স তার অংশ নয়। আমিরাতের সঙ্গে আমাদের একটি কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠ এবং আমরা বলতে পারি, এখানে সবকিছু ঠিকমতো চলছে। আমাদের যদি আমিরাত সরকারকে কিছু বলার থাকে, তাহলে আমরা বলব।’

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন