বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কারাগার থেকে পলাতক ছয়জনের বাকি তিনজন হলেন ইহাম কামামজি, ইয়াকুব কাদরি ও জাকারিয়া জুবেইদি। তাঁদের মধ্যে জাকারিয়া জুবেইদি আল-আকসা মার্টায়ার্স ব্রিগেডসের সাবেক প্রধান। জেনিন এলাকায় বাসিন্দা এই ব্যক্তি ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের মধ্যে বেশ পরিচিত। ২০১৯ সালে তাঁকে একাধিক সন্ত্রাসী হামলা চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিদের মধ্যে চারজনকে বিভিন্ন হামলায় ইসরায়েলিদের হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছিল।

কারাগার চত্বরে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যান ছয় বন্দী। কিন্তু বিষয়টি তখন নজরে আসেনি। রাত তিনটার দিকে গিলবোয়া কারাগারের কাছে সন্দেহভাজন কয়েক ব্যক্তিকে দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। তাঁরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। তারপরই ভোররাত চারটার দিকে সতর্কতা অ্যালার্ম বাজানো হয়।

গত দুই দশকের মধ্যে এই প্রথম ইসরায়েলের কোনো কারাগার থেকে ফিলিস্তিনি বন্দীদের পালানোর মতো বড় ঘটনা ঘটল। এটিকে কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা বলছে ইসরায়েলের গণমাধ্যম। এমনকি যে সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে বন্দীরা পালিয়েছেন, সেটির কাছের একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে থাকা নিরাপত্তারক্ষী ঘুমিয়ে পড়েছিলেন বলে শোনা যাচ্ছে।

এদিকে কারাগার থেকে পালানোর ঘটনার পর গত সোমবার ইসরায়েলের জননিরাপত্তামন্ত্রী ওমর বার–লেভ বলেন, ‘এটি একটি মারাত্মক ঘটনা এবং এমনটি ঘটা উচিত হয়নি।’ একই সঙ্গে পলাতকদের আটক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন