বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছবিটি দেখে বালিনিজ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। বালির অভিবাসনবিষয়ক প্রধান জামারুলি মানিহুরুক গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাঁরা স্থানীয় রীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন না। সে কারণে তাঁদের ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি বিতাড়িত করা হচ্ছে।’ এই রুশ দম্পতি অন্তত ছয় মাস ইন্দোনেশিয়ায় নিষিদ্ধ থাকবেন। স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী ওই পুণ্যস্থানের শুদ্ধি অনুষ্ঠানেও অংশ নিতে হবে তাঁদের।

অ্যালিনা ফাজলিভা ইতিমধ্যে তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ইংরেজি ও বাহাসা ইন্দোনেশিয়া ভাষায় ক্ষমা চেয়ে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘বড় ভুল হয়ে গেছে।’
অ্যালিনা লিখেছেন, ‘বালিতে অনেক পুণ্যস্থান আছে। সব কটিতে সে তথ্য দেওয়া নেই। আমার ক্ষেত্রেও তেমন ঘটেছে। এসব জায়গা এবং ঐতিহ্যগুলোকে শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখা জরুরি।’

বালির গভর্নর ওয়াইয়ান কস্তার বলেছেন, তাঁর প্রশাসন অশ্রদ্ধাশীল পর্যটকদের আর সহ্য করবে না।

এর আগে গত বছর বালি দ্বীপ থেকে প্রায় ২০০ মানুষকে বিতাড়িত করা হয়েছে। এর মধ্যে কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের দিয়েও কেউ কেউ বিতাড়িত হয়েছেন।

গত মাসে কানাডার এক অভিনেতা ও স্বঘোষিত কল্যাণগুরুকেও বালি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। পুণ্যস্থানীয় মাউন্ট বাতুর নামে একটি আগ্নেয়গিরিতে নগ্ন হয়ে নিউজিল্যান্ডের মাওরি গোষ্ঠীর হাকানাচ নাচার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন