বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গুতেরেস বলেন, গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী দেশটির ক্ষমতা দখলের পর সেখানে এক অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, মিয়ানমারের সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ২০২০ সালের নভেম্বরের নির্বাচনের ফলাফল বহাল অপরিহার্য। এটি আদায়ে প্রতিবেশী দেশগুলো মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকারের পরিস্থিতি’ বিষয়ক এক প্রতিবেদন প্রকাশকালে জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, তাঁর আশঙ্কা, সেনাবাহিনীর এই ক্ষমতা দখল মোকাবিলা ক্রমেই কঠিন ও জটিল হয়ে পড়বে। তিনি দেশটিকে গণতান্ত্রিক সংস্কারের পথে ফিরিয়ে আনতে ও বিপর্যয় মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধভাবে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানান।

গুতেরেস সতর্ক করে বলেন, মিয়ানমারে সেনাশাসন প্রতিরোধের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসতে পারে। এ জন্য একটি সমন্বিত আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, অং সান সু চি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাকে অবিলম্বে মুক্তির জন্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

উল্লেখ্য, সাধারণ নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগে দেশটির নির্বাচিত অং সান সু চির সরকারকে হটিয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। সঙ্গে সঙ্গেই এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসেন দেশটির সাধারণ মানুষ। শুরু হয় সংঘাত। এতে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন এক হাজার এক শর বেশি মানুষ। এ ছাড়া গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার লোককে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন