বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিরিসেনা আরও বলেন, ‘পোলোন্নারুয়ার কৃষকেরা মোরাগাহাকান্দা সংরক্ষণাগার ব্যবহার করে দেশকে কৃষিতে স্বনির্ভর করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সে কৃষকেরাই এখন দৈনিক ভিত্তিতেও চাষাবাদ করতে পারছেন না। আজ আমি মে দিবসে শ্রমিকশ্রেণির সমাবেশে অংশ নিয়েছি। এখান থেকে কৃষক সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বর জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। এটি শ্রমিকদের সমস্যা ও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জকে ক্ষমতাসীন শ্রেণির কাছে তুলে ধরে।’

সাবেক প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান নেতারা যদি ক্ষমতায় বহাল থাকেন, তাহলে দেশে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে যে জনগণকে বাড়িতে বসেই মারা যেতে হবে। কারণ, দেশের দু-তিন লাখ মানুষ ইতিমধ্যে অনাহারে ভুগছে।

শ্রীলঙ্কার সেনসাস অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিকসের বিবৃতি অনুযায়ী, চলতি এপ্রিলে ভোগ্যপণ্যের দাম আগের বছরের তুলনায় ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে।
জরুরি পণ্য আমদানির মূল্য পরিশোধের জন্য আগামী আট মাসে শ্রীলঙ্কার ৪০০ কোটি ডলার প্রয়োজন। সরকার ইতিমধ্যে ঋণ পরিশোধ স্থগিত রেখেছে। ভারত, চীন ও বিভিন্ন ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান থেকে সহায়তা চাইছে তারা।

এপ্রিলের শুরু থেকে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের পদত্যাগের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, রাজাপক্ষে জনগণের আস্থা হারিয়েছেন। তবে তা নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। পরে প্রেসিডেন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে ১৭ সদস্যবিশিষ্ট নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। তবে নতুন মন্ত্রিসভায়ও বড় ভাই মাহিন্দা রাজাপক্ষেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করেন তিনি। রাস্তায় যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা চান মাহিন্দা রাজাপক্ষে ও গোতাবায়া রাজাপক্ষে দুজনই পদত্যাগ করুন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন