বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জবাবে দালাই লামা বলেন, ‘আমি মাও সে–তুংয়ের সময় থেকে কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের চিনি। তাঁদের চিন্তাধারা ভালোই। তবে মাঝেমধ্যে তাঁরা অনেক চরম হয়ে ওঠেন, কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন।’ আধ্যাত্মিক এই নেতা আরও বলেন, ‘তিব্বত ও জিনজিয়াংয়ের বিষয়ে বলতে গেলে, আমাদের নিজেদের আলাদা সংস্কৃতি রয়েছে। সংকীর্ণমনা চীনা কমিউনিস্ট নেতারা ভিন্ন সংস্কৃতির এই বিচিত্রতা বোঝেন না।’
চীনের সবচেয়ে বড় সম্প্রদায় হ্যান জনগোষ্ঠী অন্য গোষ্ঠীগুলোর ওপর মাত্রাতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ আনেন দালাই লামা। তিনি বলেন, বিষয়টি এমন না যে শুধু হ্যান সম্প্রদায়ের লোকজনই চীনে রয়েছে। এখানে অন্য অনেক জনগোষ্ঠীও বসবাস করে।

তাইওয়ান ইস্যু নিয়েও সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন দালাই লামা। তাইওয়ানকে নিজেদের মূল ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে মনে করে চীন। কিন্তু তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবেই দাবি করে আসছে। এ নিয়ে সংকট চলছে। দালাই লামা মনে করেন, তাইওয়ান চীনের প্রাচীন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি ভান্ডার। তবে এখন এই অঞ্চল নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে এসে এই নেতা বলেন, সব ধর্মই ভালোবাসার বার্তা নিয়ে আসে। সব ধর্মেই দর্শনের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ তুলে ধরা হয়েছে। এখন সমস্যা হচ্ছেন রাজনীতিকেরা, কিছু কিছু ক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদেরাও। তাঁরা ধর্মের এই ভিন্নতাকে ব্যবহার করছেন। ধর্ম নিয়েও রাজনীতি করা হচ্ছে। এটা একটি সমস্যা।

এদিকে এই মুহূর্তে ভারতে অবস্থান করছেন দালাই লামা। দেশটিকে ধর্মীয় সম্প্রীতির কেন্দ্র বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। দালাই লামার ভাষ্য, ভারতেই ‘শান্তিতে’ বসবাস করতে চান তিনি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন