default-image

পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সামরিক কুচকাওয়াজ নিয়ে নজরদারি করায় সিউলের কর্মকর্তাদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উনের বোন। কোরীয় সংবাদ সংস্থাকে এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, দক্ষিণের কর্মকর্তারা উদ্ভট। তাঁদের বোঝা খুব কঠিন। তাঁরা বোকা এবং দুর্ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্বে এক নম্বর।

এএফপির খবরে জানা যায়, স্থানীয় সময় গত সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, তারা জানতে পেরেছে যে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করেছে। পিয়ংইয়ংয়ে কিম ইল সাং স্কয়ারে স্থানীয় সময় রাতে এই কুচকাওয়াজ হবে। দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, তারা এই কুচকাওয়াজের ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। এটি আসল কুচকাওয়াজ হতে পারে অথবা কুচকাওয়াজের মহড়া হতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার এমন ঘোষণায় খেপে গেছেন কিম জং–উনের বোন ও উপদেষ্টা কিম ইয়ো জং। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার আচরণকে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, দক্ষিণের এই আচরণ সহিংস।

বিজ্ঞাপন

উনের বোন কুচকাওয়াজের সময় নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা রাজধানীতে কেবল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করেছি। কাউকে লক্ষ্যবস্তু করে কুচকাওয়াজ হচ্ছে না। অথবা সামরিক অনুশীলন হচ্ছে না।’

দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, তারা জানতে পেরেছে যে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করেছে। পিয়ংইয়ংয়ে কিম ইল সাং স্কয়ারে স্থানীয় সময় রাতে এই কুচকাওয়াজ হবে।

দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে আলোচনার উদ্যোগ নেন। তবে আলোচনার সেই উদ্যোগ ভেস্তে যায়। এর কারণ হলো, উত্তর কোরিয়া বরাবরই বলেছে সিউলের সঙ্গে তাদের আলোচনার কোনো আগ্রহ নেই।

গত সোমবার উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন দেশটির ক্ষমতাসীন দল ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। উত্তর কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির সম্মেলন থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে দলটির চেয়ারম্যান ছিলেন কিম জং-উন। সম্মেলনের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক পদে বসলেন তিনি।

আমরা রাজধানীতে কেবল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করেছি। কাউকে লক্ষ্যবস্তু করে কুচকাওয়াজ হচ্ছে না। অথবা সামরিক অনুশীলন হচ্ছে না
কিম ইয়ো জং

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাননি কিম জং-উনের বোন কিম ইও জং। কিম জং-উনের বোনকে পলিট ব্যুরো থেকে বাদ দেওয়ায় নতুন গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দলে কিম ইও জংয়ের প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, এ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন