বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের উহানভিত্তিক সিনোফার্মের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা করোনাভাইরাসের টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার অন্তত দুই সপ্তাহ পর তা উপসর্গ দেখা দেওয়া কোভিড–১৯–এর বিরুদ্ধে ৭২ দশমিক ৮ শতাংশ কার্যকর হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে কোম্পানির এক বিবৃতিতে টিকার কার্যকারিতা ৭২ দশমিক ৫ শতাংশ বলা হয়েছিল। গবেষণার অন্তর্বর্তীকালীন ফলাফলে তার চেয়ে সামান্য বেশি কার্যকারিতা পাওয়া গেছে।

সিনোফার্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত বেইজিংভিত্তিক আরেকটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা অপর একটি টিকার কার্যকারিতা পাওয়া গেছে ৭৮ দশমিক ১ শতাংশ।

চলতি মাসেই সিনোফার্মের টিকার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই টিকার দেড় কোটি ডোজ কিনছে বাংলাদেশ। বাণিজ্যিক চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে সিনোফার্মের ৫০ লাখ টিকা জুনে বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। তিন মাসে সিনোফার্মের কাছ থেকে দেড় কোটি ডোজ টিকা কিনতে দুই পক্ষ তিনটি চুক্তি সইয়ের জন্য চূড়ান্ত করে ফেলেছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

জেএএমএর এই স্টাডিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মিসর ও জর্ডানের ৪০ হাজার ৮৩২ জন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর চালানো পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই স্বেচ্ছাসেবকদের তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। তাঁদের তিন সপ্তাহ সময়ের ব্যবধান দিয়ে টিকার দুটি ডোজ বা প্ল্যাসেবো দেওয়া হয়েছিল।

টিকার কার্যকারিতার হিসবাটি করা হয়েছে করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়া ১৪২টি ঘটনার ভিত্তিতে। তাদের মধ্যে ২৬ জনকে উহানে উৎপাদিত টিকা এবং ২১ জনকে বেইজিংয়ে উৎপাদিত টিকা দেওয়া হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মাত্র দুজন গুরুতর অসুস্থ হয়েছিলেন। তাই গুরুতর সংক্রমণ প্রতিরোধের বিষয়ে উপসংহার টানা যাচ্ছে না।’ তাই ছাড়া এই টিকা উপসর্গহীন সংক্রমণ প্রতিরোধ করে কি না, তা–ও এই স্টাডিতে খতিয়ে দেখা হয়নি।

এই ট্রায়ালে গর্ভধারিণী নারী এবং ১৮ বছরের কম বয়সীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তা ছাড়া প্রবীণ ব্যক্তি এবং জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন। মিসর ও জর্ডানে টিকা নিয়ে চলমান পরীক্ষার তথ্য অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হবে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন