বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গবেষকেরা ওই উটের ভাস্কর্য নিয়ে গবেষণা করেন। সেই গবেষণার নিবন্ধটি প্রত্নতত্ত্ববিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী আর্কিওলজিক্যাল সায়েন্স–এ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভাস্কর্যগুলোর ক্ষয়ের ধরন মূল্যায়ন, ভাস্কর্য বানানোর কাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্রের চিহ্ন বিশ্লেষণ এবং ঘটনাস্থলে পাওয়া প্রাণীর হাড়ের নমুনা পরীক্ষা করে এগুলো নির্মাণের সম্ভাব্য নতুন তারিখ সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন গবেষকেরা।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ভাস্কর্যগুলো ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক প্রাচীন স্থাপনা স্টোনহেঞ্জ ও মিসরের গিজার পিরামিডগুলোর চেয়েও পুরোনো। স্টোনহেঞ্জ পাঁচ হাজার আর গিজার পিরামিডগুলো সাড়ে চার হাজার বছরের পুরোনো বলে মনে করা হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, উটের ভাস্কর্যগুলো নিয়ে গবেষণার পর দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন কাজে উটের ব্যবহার আরও আগে হয়েছে, যা ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। এ ছাড়া যখন ভাস্কর্যগুলো বানানো হয়, তখন সৌদি আরবের চেহারাও একেবারে ভিন্ন ছিল। সেখানে মরুভূমির চেয়ে হ্রদ ও ঘাসের সমতল ভূমি বেশি ছিল।

তবে কেন এই উটের ভাস্কর্য বানানো হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। গবেষকেরা মনে করছেন, যাযাবর উপজাতিদের বৈঠকখানা হিসেবে স্থানটি ব্যবহৃত হতো। গবেষকেরা আরও উল্লেখ করেছেন, হাজার হাজার বছর আগে এ রকম ভাস্কর্য বানানো কঠিন কাজ ছিল। অনেক ভাস্কর্য ভূমি থেকে উঁচুতে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো যাঁরা বানিয়েছিলেন, তাঁদের মাচা ব্যবহার করতে হয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন