বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ২৯২ জন আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হয়েছেন। ৬ হাজার ৩৭৩ জনের বিরুদ্ধে সীমান্ত নিরাপত্তা নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। আর ১ হাজার ৭৩৪ জনকে আটক করা হয়েছে শ্রম আইন লঙ্ঘন করায়। আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনকারীদের আশ্রয় ও পরিবহন সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে আটক হয়েছেন ১৭ জন।

এ ছাড়া বেআইনিভাবে সৌদি সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে দেশটিতে আরও ২৭৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৫৫ শতাংশই আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার নাগরিক।

৪২ শতাংশ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনের আর অন্যান্য দেশের ৩ শতাংশ নাগরিক রয়েছেন।
সৌদি সংবাদমাধ্যমের খবর, আইন ভঙ্গের অভিযোগে দেশটিতে ৮৮ হাজার ২৯ জন অভিবাসীকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭৮ হাজার ৬৮৭ জন পুরুষ ও ৯ হাজার ৩৪২ জন নারী। শনাক্ত হওয়া ৭২ হাজার ৭৮৮ জন অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশের দূতাবাস থেকে বৈধ ভ্রমণ নথি সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে ১০ হাজার ১৭ অভিযুক্তকে সৌদি আরব ছাড়তে বলেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এদিকে অবৈধ অভিবাসীদের আবাসন, কাজ জোগাড় করে দেওয়া, পরিবহনসহ যেকোনো ধরনের সেবা প্রদান থেকে সৌদি নাগরিকদের বিরত থাকতে নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির সরকার। এর ব্যত্যয় হলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে বলেও সতর্ক করেছে দেশটি। এসব নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে ১৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা হতে পারে। যাঁরা অবৈধ প্রবেশকারীদের কোনো ধরনের পরিবহনসুবিধা ও বাড়িতে প্রবেশের সুবিধা দেবেন, সেসবও জব্দ করা হবে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন