বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুল বাকি হাক্কানি আরও বলেন, গত দুই দশকে (২০০০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত) আফগানিস্তানের তরুণ-তরুণীরা আধুনিক পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন। তাঁরা কোনো কাজের নন। তাঁদের মধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ নেই। তাঁরা পশ্চিমা–সমর্থিত সরকারের হয়ে লড়াই করেছেন। এর চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বেশি কাজের।

ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষকদের প্রাধান্য দেওয়া হবে উল্লেখ করে তালেবান সরকারের এই মন্ত্রী আরও জানান, তালেবান আফগানিস্তানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় এমন শিক্ষক নিয়োগকে প্রাধান্য দেবে, যাঁরা তথাকথিত পশ্চিমা ধাঁচের স্নাতকোত্তর কিংবা পিএইচডির বদলে ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষায় গুরুত্ব দেবেন। দেশটির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা গ্রহণে উৎসাহ জোগাবেন তাঁরা।

গত সেপ্টেম্বরে খবর বেরোয়, কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের ক্লাস বা কাজ করার অনুমতি দেবে না তালেবান। বিশ্ববিদ্যালয়ের তালেবান নিযুক্ত উপাচার্য মোহাম্মদ আশরাফ ঘাইরাতের টুইটের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়, দেশটিতে ইসলামি পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত নারীদের আর কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস বা কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে পরে এ খবরকে ভুয়া ও ভিত্তিহীন বলে জানায় তালেবান।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন