বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আল-রাফাইয়ের আবাসিক এলাকার মধ্যখানে অবস্থিত মসজিদটি লম্বায় ১৬ ফুট। আর চওড়া প্রায় ২৬ ফুট। একসঙ্গে ২৫ জন মুসল্লি এখানে নামাজ আদায় করতে পারতেন। যুক্তরাজ্য ও ইরাকের একদল প্রত্নতত্ত্ববিদের যৌথ অনুসন্ধানে মসজিদটির সন্ধান পাওয়া গেছে।

ইরাক সরকারের প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান ও খনন বিভাগের প্রধান আলী শালঘাম বলেন, এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রত্ননিদর্শন। কেননা, প্রথমত এই মসজিদ পুরোটাই মাটি দিয়ে বানানো হয়েছে। ঝড়-বাদল-বৃষ্টি উপেক্ষা করে এটি শতকের পর শতক ধরে টিকে আছে। দ্বিতীয়ত, এই নিদর্শন আমাদের ইসলামের প্রাথমিক যুগের ইতিহাসে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। ওই সময়ের ইতিহাস সম্পর্কে আমরা খুব কমই জানি।

ইরাকের আল-রাফাই ও আশপাশের এলাকা প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে খুবই সমৃদ্ধ অঞ্চল। এর আগে এখানে মেসোপটেমিয়া সভ্যতার শহর উরের সন্ধান মিলেছে। চলতি বছরের মার্চে ইরাক সফরকালে প্রাচীন এই নিদর্শন পরিদর্শন করেন খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা পোপ ফ্রান্সিস।

শুধু উর নয়, এর আগে ইরাকের এই অঞ্চলের লারসা শহরে মেসোপটেমিয়া সভ্যতার শাসক সিন-এদনামের ব্যবহৃত একটি প্রাসাদের সন্ধান পেয়েছেন ফরাসি প্রত্নতত্ত্ববিদেরা। চলতি বছরের শুরুতে রাশিয়া ও ইরাকি প্রত্নতত্ত্ববিদদের যৌথ অনুসন্ধানে ইরাকের এই এলাকায় প্রায় চার হাজার বছরের পুরোনো একটি বসতির সন্ধান পাওয়া গেছে। সমৃদ্ধ প্রত্নসম্পদের কারণে দেশি-বিদেশি ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের কাছে ইরাকের এই অঞ্চলের বিশেষ চাহিদা রয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন