default-image

টোঙ্গা সরকারি কর্তৃপক্ষ সরাসরি কারও সংস্পর্শে না এসে সাহায্যসামগ্রীগুলো ফেলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, বাইরের কারও সংস্পর্শে এলে দেশটিতে করোনার বিস্তার ঘটতে পারে। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। কারণ, মহামারির দুই বছরে দেশটিতে এ পর্যন্ত মাত্র একজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিনি হেনার নিশ্চিত করেছেন, কারও সংস্পর্শে না এসেই সাহায্যসামগ্রী সরবরাহ করা হবে। তিনি বলেন, টোঙ্গায় অবতরণের পর সর্বোচ্চ ৯০ মিনিট অবস্থান করার পর তাদের পাঠানো উড়োজাহাজ আবার নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে।

এ ছাড়া আজ বৃহস্পতিবার অন্যান্য সাহায্যসামগ্রী নিয়ে নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনীর একটি জাহাজ টোঙ্গা উপকূলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেনার বিবিসিকে বলেন, সাহায্য নিয়ে যাওয়া জাহাজটিতে আড়াই লাখ লিটারেরও বেশি নিরাপদ পানি ও পানি বিশুদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে।

default-image

টোঙ্গায় ইন্টারনেট যোগাযোগব্যবস্থা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। টেলিযোগাযোগ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ডিজিসেলের মাধ্যমে টুজি সংযোগ চালু হলেও সেবা নির্বিঘ্ন নয়।

টোঙ্গায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কনস্যুলেট থেকে প্রকাশিত ছবিতে দেশটিতে ক্ষয়ক্ষতির একটা আভাস পাওয়া গেছে। ছবিগুলোয় দেখা যাচ্ছে, রাজধানী নুকুয়ালোফায় গাড়ি, সড়ক ও ভবনগুলো ছাইয়ের আস্তরণে ঢেকে গেছে।
নিউজিল্যান্ডের বিমানবাহিনীর তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ভয়াবহ এই দুর্যোগে বেশ কিছু গ্রাম এমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেখানে এখনো কেউ যেতে পারেনি।

হুঙ্গা-টোঙ্গা-হুঙ্গা-হা’আপেই আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের পর প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ অনেক দূরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে পর্যন্ত অনুভূত হয়েছে। লাতিন আমেরিকার দেশ পেরুতে অস্বাভাবিক ঢেউয়ে পড়ে দুজন মানুষ ডুবে মারা গেছে। বিস্ফোরণের পর যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জাপান সুনামি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছিল।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন