বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণ চীন সাগরে বেআইনি ও নির্বিচার সামুদ্রিক সীমার দাবি সমুদ্রের স্বাধীনতার জন্য একটি গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সমুদ্রপথের স্বাধীনতা, মুক্ত ও অবাধ বাণিজ্য এবং দক্ষিণ চীন সাগরের উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য অর্থনৈতিক সুযোগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে হুমকি।

১৯৫৫ সালে প্যারাসেল উডি আইল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয় বেইজিং। সেখানে বিমানবন্দর ও অন্যান্য অবকাঠামো তৈরি করেছে দেশটি। সেখানে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বেইজিং কর্তৃপক্ষ। চীনের সামরিক বাহিনীর সাউদার্ন থিয়েটার কমান্ডের মুখপাত্র তায়ান জুনলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ১৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার বেনফোল্ড ডেস্ট্রয়ার অবৈধভাবে চীনের প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের জলসীমা লঙ্ঘন করে।

তায়ান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নিয়মের গুরুতর লঙ্ঘন।’

দক্ষিণ চীন সাগরকে পুরোপুরি নিজেদের বলে দাবি করে আসছে চীন। দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে তাই কয়েক বছর ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও ফিলিপাইনও দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের মালিকানা দাবি করেছে।

ম্যানিলা ২০১৩ সালে সমুদ্রে বেইজিংয়ের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। হেগের আন্তর্জাতিক আদালত তিন বছর পরে সে মামলার রায় দেন। তাতে বলা হয়, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের দাবির আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। তবে বেইজিং ওই সিদ্ধান্তের স্বীকৃতি দেয়নি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন