সেনা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংকে উদ্ধৃত করে পত্রিকাটি বলেছে, ‘আমাদের দেশে প্রকৃত ও সুশৃঙ্খল বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শক্তিশালী করা অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে, যা জনগণের প্রত্যাশা।’

সেনা–অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিভিন্ন শহরের বেশির ভাগ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সেনাবাহিনী দমন করার পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

সেনা সরকার দাবি করে আসছে, ২০২০ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কারচুপির কারণে তারা ক্ষমতা দখল করেছে। ওই নির্বাচনে সহজ জয় পেয়েছিল শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সু চির দল। তবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো ব্যাপক জালিয়াতির কোনো প্রমাণ পায়নি।

সু চির ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক লিগ (এনএলডি) সরকার উৎখাতের ছয় মাসের মাথায় মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। তিনি ২০২৩ সালের আগস্টে নতুন নির্বাচন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে ওই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে মনে করে না বিরোধীরা।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন