গত রোববার জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক কার্যালয়ের এক টুইটার পোস্টে বলা হয়, সংস্থাটি ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৭০০ মানুষকে কম্বল, উষ্ণতা এবং আশ্রয় দিয়েছে। তবে আরও সহায়তা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে তারা।

গতকাল মঙ্গলবার তালেবানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শফিউল্লাহ রাহিমি সিএনএনকে বলেন, প্রায় ৭০ হাজার গবাদিপশু ঠান্ডায় জমে মারা গেছে।
এদিকে নারী এনজিও কর্মীদের ওপর নিষেধাজ্ঞার পর আফগানিস্তানে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম কমে যাওয়ায় মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক সংস্থার সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের ২ কোটি ৮৩ লাখ মানুষ, অর্থাৎ দেশটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষের টিকে থাকার জন্য জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।

গত ডিসেম্বর থেকে আফগানিস্তানে কমপক্ষে ছয়টি বড় বিদেশি সহায়তা সংস্থা তাদের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। আফগানিস্তানের তালেবান সরকার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থাগুলোতে নারী কর্মীদের কাজ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নারী কর্মীদের কাজ করার সুযোগ দিলে সহায়তা সংস্থাগুলোর লাইসেন্স প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছে তালেবান সরকার।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নারী কর্মকর্তা চার দিনের সফরে আফগানিস্তানে গেছেন। কাবুলে তালেবান নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁরা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন। তালেবান যেন দেশের ভালোকে অগ্রাধিকার দেয়, সে অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।