ব্যাঙটির সন্ধান পান বনকর্মী কাইলি গ্রে। গত সপ্তাহে পার্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। রাস্তা দিয়ে একটি সাপ পার হতে দেখে তিনি গাড়ি থামান। গ্রে বলেন, গাড়ি থেকে নেমেই তাঁর চক্ষু চড়কগাছ। দানবাকৃতির কেইন টোড ব্যাঙটি দেখে তাঁর দম ফুরানোর জোগাড়। এক বিবৃতিতে গ্রে বলেন, ‘আমি নিচে নেমে কেইন টোডটিকে ধরি। বিশ্বাস হচ্ছিল না এটি কীভাবে এত বড় ও ভারী হতে পারে। আমরা ব্যাঙটির নাম দিয়েছি টোডজিলা। বন থেকে সরিয়ে আনতে আমরা তাৎক্ষণিক এটিকে একটি পাত্রে রাখি।’

গ্রে বলেন, এই আকারের একটি কেইন টোডের মুখে যা কিছু ধরবে তা সাবাড় করে দিতে পারবে। সেটা পোকামাকড় ও সরীসৃপ থেকে শুরু করে ছোট্ট স্তন্যপায়ী প্রাণীও হতে পারে। টোডজিলা স্ত্রী প্রজাতির হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। গ্রে বলেন, টোডজিলাকে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কুইন্সল্যান্ড জাদুঘর। কারণ, এটি সবচেয়ে বড় ব্যাঙের রেকর্ড গড়তে পারে। তিনি আরও বলেন, কেইন টোড প্রজাতির ব্যাঙ ১৫ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

গতকাল অস্ট্রেলিয়ার এবিসি নিউজ জানায়, ব্যাঙটিকে ‘কষ্ট না দিয়ে’ মেরে ফেলা হয়েছে। এটিকে ব্রিসবেনের কুইন্সল্যান্ড জাদুঘরে পাঠানোর কথা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় কেইন টোডের কোনো প্রাকৃতিক শিকারি নেই। এই বিষাক্ত প্রজাতি স্থানীয় প্রাণীদের ধ্বংস করছে। কৃষিতে রাসায়নিক ব্যবহারের আগে আখখেতের কীটপতঙ্গ দমাতে ১৯৩৫ সালের দিকে দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা থেকে কেইন টোড অস্ট্রেলিয়ায় আনা হয়।