ইরানে মাসা আমিনির মৃত্যুর পর সৃষ্ট সরকারবিরোধী বিক্ষোভ সাত সপ্তাহ পেরিয়েছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর মাসা আমিনির মৃত্যুর পর দেশটির তরুণ সম্প্রদায় বিক্ষোভ শুরু করে। এ বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে বিশ্বের অনেক দেশে সমাবেশ করেছেন প্রবাসী ইরানিরা।

গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকারের নারী অধিকার অস্বীকার ও নৃশংস বিক্ষোভ দমনের কারণে জাতিসংঘের ৪৫ সদস্যের ‘কমিশন অব দ্য স্ট্যাটাস অব ওম্যান’ থেকে সরাতে চেষ্টা করবে। এ কমিশন লিঙ্গবৈষম্য দূর করা ও নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি তেহরানে শিক্ষার্থীদের এক সমাবেশে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা ইরানকে মুক্ত করতে চায়; কিন্তু আমি বলব, ইরান ৪৩ বছর আগে মুক্ত হয়েছে এবং আর কখনো আপনাদের কাছে নত করবে না। ইরানের মহান মানুষ আপনাদের কাছে মাথা নত করবে না।’

রাইসি অভিযোগ করেন বলেন, ‘শত্রুরা এখন আমাদের সংহতি, জাতীয় ঐক্য, নিরাপত্তা, শান্তি ও প্রতিজ্ঞাকে লক্ষ্যবস্তু করেছেন। আমাদের নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী আপনাদের শয়তানি ইচ্ছাকে বাস্তবায়িত হতে দেবে না।’

গতকাল শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদোল্লাহিয়ান টুইটারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে সতর্ক করেন। তিনি ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইরানে সাম্প্রতিক দাঙ্গায় সহিংসতা এবং সন্ত্রাসে প্রকাশ্য সমর্থন দিচ্ছেন। আবার একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে চুক্তির কথা বলছেন। এই ভন্ডামি বন্ধ করুন।’