‘শিশুর মতো হামাগুড়ি দিয়ে’ পাহাড়ের ঢালের দিকে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান তাঁরা

নেপালের নুয়াকোট জেলার ত্রিশূলীতে আকস্মিক বন্যার পর কাদায় ঢেকে যাওয়া একটি ভবন। ২৬ আগস্ট ২০২৬ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত এক নেপালি যুবক বিবিসিকে জানিয়েছেন, গত বুধবার নেপালে হওয়া প্রাণঘাতী আকস্মিক বন্যায় তিনি তাঁর পরিবারের তিন ঘনিষ্ঠ সদস্যকে হারিয়েছেন।

২৬ বছর বয়সী বরুণ লামিছানে বলেন, এ দুর্যোগে তাঁর ভাই, চাচা ও এক চাচাতো ভাই মারা গেছেন। তবে তাঁর মা, বাবা ও দাদি পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হন।

আরও পড়ুন

মা, বাবা ও দাদির বেঁচে যাওয়া প্রসঙ্গে বরুণ বলেন, তাঁরা ‘শিশুর মতো হামাগুড়ি দিয়ে’ পাহাড়ের ঢালের দিকে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান।

বরুণ বলেন, ‘সৌভাগ্যবশত তাঁরা বেঁচে আছেন।’

তবে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছেন না বলে জানান বরুণ।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় নেপালে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮৯ জন মারা গেছেন। নেপালে ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ। অন্যদিকে চীনের তিব্বতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ৫৫০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, পর্বত থেকে ধসে পড়া বরফ, পাথর ও মাটি নদীর পানির সঙ্গে মিশে প্রবল ঢল তৈরি করে, যা শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ বন্যারূপে হাজির হয়।

আরও পড়ুন