মুক্তির সিদ্ধান্ত হওয়া অন্যান্য ব্যক্তির মধ্য ১১ জন তারকা ব্যক্তি ছাড়াও সু চির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক মন্ত্রী কিয়াও তিন্ত সোয়ে রয়েছেন।

গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকে আটক করে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর বিভিন্ন সময় জান্তা সরকার হাজার হাজার বেসামরিক ব্যক্তিকে আটক করে। তাঁদের মধ্যে মুক্তি পেতে যাওয়া এসব ব্যক্তিও ছিলেন।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কগত কারণে ও মানবিক প্রেক্ষাপটে চার বিদেশিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ এসব ব্যক্তি মুক্তি পাচ্ছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে জানার জন্য একজন সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

দুজন প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানান, গতকাল বিকেলে বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনের কুখ্যাত কারাগার ইনসেইন প্রিজন থেকে একটি বাস ছেড়ে গেছে। ওই বাসে ক্ষমা পাওয়া কয়েক ব্যক্তিকে তাঁরা দেখেছেন।

মিয়ানমারের ছায়া সরকারের মন্ত্রী টিন লিন অং বলেন, জান্তা সরকার এমন সাধারণ ক্ষমার খেলা দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বোকা বানাতে পারবে না। এর দ্বারা এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে জান্তারা তাদের চরিত্র পাল্টেছে।

টার্নেলকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি অং। টারনেলকে গত সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রীয় একটি গোপন আইন লঙ্ঘনের দায়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তাঁর মুক্তির বিষয় অগ্রাধিকার দিয়ে চলতি মাসের শুরুতে অং বলেন, অস্ট্রেলিয়া মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে।

বোম্যান মিয়ানমারে ২০০২-০৬ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বে ছিলেন। বর্তমানে তিনি দেশটিতে একটি গ্রুপের প্রধান হিসেবে কর্মরত। এই গ্রুপ নৈতিক ব্যবসাকে উদ্বুদ্ধ করে থাকে। তাঁকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

কুবোতাকে গত মাসে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও যোগাযোগ আইন লঙ্ঘনের দায় দেখানো হয়। জাপানের মন্ত্রিপরিষদের প্রধান সচিব হিরোকাজু মাতসুনো বলেন, তাঁদের জানানো হয়েছে, কুবোতার শরীর ভালো রয়েছে। শুক্রবার যথাসম্ভব তিনি জাপানে ফিরবেন।