এবারের নির্বাচনে ৯৪ নারীসহ মোট ৫০০ প্রার্থী অংশ নিয়েছেন, যা ২০১৮ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনের চেয়ে দ্বিগুণ। তবে দেশটির নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কারণ, ভোটের আগে বিরোধী দলের নেতাদের রাজনৈতিক নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি বলেছে, এ সাধারণ নির্বাচনে পরও দেশটিতে দমন-পীড়নের পরিবেশ এবং বাহরাইনে বছরের পর বছর ধরে মানবাধিকার পরিস্থিতির সমাধান হবে না। এর আগে ২০১১ সালে দেশটির শিয়া মুসলমানদের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন করা হয়।