আজকারের এক আত্মীয় বলেন, শিশুটির মা গত সোমবারের এই ভূমিকম্পে মারা গেছেন। তিনি বলেন, সে (আজকা) বাড়ি যেতে যায়। ঘুমের মধ্যে বারবার মাকে ডাকছে।

ইন্দোনেশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ জাভা প্রদেশে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার এই ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭১ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে পারেনি। বন্যার কারণে উদ্ধার প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে। প্রায় ৪০ জন এখনো নিখোঁজ। দুই হাজারের বেশি আহত হয়েছেন।

২০১৮ সালের পর ইন্দোনেশিয়ায় এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প। ওই বছর সুলাওয়েসির পালু শহরের উপকূলে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানলে সুনামি ও ভূমিধসে শহরটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে চার হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।