অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর বাবার ত্যাগের কথা উল্লেখ করে এই তরুণী বলেন, ভবিষ্যতে খারাপ সময়ের কথা চিন্তা করে, সংসার চালাতে এবং আমার ও সহোদরদের জন্য অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে বাবা ট্যাক্সিচালক ও নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করেছেন। তিনি নিজের জন্য কিছুই করতে পারেননি।

২০০৩ সালে পায়মান মা ও তিন ছোট সহোদরের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছান। তখন তাঁর বয়স ছিল আট বছর। তিনি পার্থে অস্ট্রেলিয়ান ইসলামিক কলেজে পড়াশোনা করেন। পরে চিকিৎসক হতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তখন রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে নিজের হিজাব পরা নিয়েও কথা বলেন পায়মান। নিজের পছন্দেই হিজাব পরছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমার কী পোশাক পরা উচিত, সেই উপদেশ দিতে কিংবা আমার বাহ্যিক অবস্থা দেখে আমার যোগ্যতা বিবেচনা করতে পছন্দ করেন, জেনে রাখুন, হিজাব আমার পছন্দ।’

পায়মান বলেন, ‘কে ভেবেছিল আফগানিস্তানে জন্ম নেওয়া এক তরুণী ও এক শরণার্থী বাবার মেয়ে আজ এই পার্লামেন্ট কক্ষে দাঁড়িয়ে কথা বলবে।’

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন